
মেডিক্যাল ভর্তি প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। ইতোমধ্যে খুলনা থেকে পাঁচ চিকিৎসককে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রশ্ন ফাঁস করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজে (খুমেক) ভর্তি হওয়ার বিষয়ে গোয়েন্দা বিভাগের সন্দেহের তালিকার রয়েছেন ১১ শিক্ষার্থী। তাদের বিষয়ে তদন্ত চলছে।
গোয়েন্দা বিভাগে খুমেক কর্তৃপক্ষের সরবরাহ করা তথ্যে জানা গেছে, সন্দেহের তালিকায় থাকা ১১ জনের মধ্যে চার জন প্রফেশনাল পরীক্ষায় ফেল করেন।
গ্রেফতার পাঁচ জনের মধ্যে গোয়েন্দা বিভাগের সন্দেহের তালিকায় থাকা তিন জন রয়েছেন।
এ বিষয়ে খুলনা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. দীন-উল ইসলাম বলেন, ‘১১ শিক্ষার্থীর একাডেমিক বিষয়ে তথ্য চেয়েছিল সিআইডি। বিস্তারিত তথ্য দিয়েছি। ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র কিনে যদি ১০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়, তাহলে ১০ জন মেধাবী শিক্ষার্থী বঞ্চিত হয়। অবশ্যই প্রশ্নপত্র ফাঁস হলে জড়িতদের শাস্তি হওয়া উচিত।’
মন্তব্য লিখুন
আরও খবর
মায়ের মৃত্যু: যুগ্ম সচিব ছেলেকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার
মায়ের মৃত্যু: যুগ্ম সচিব ছেলেকে দায়িত্ব...
কমলগঞ্জে চা পাতা তুলতে গিয়ে বজ্রপাতে ৫ নারী...
কমলগঞ্জে চা পাতা তুলতে গিয়ে বজ্রপাতে...
হাম ও উপসর্গে আরো ১৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত...
হাম ও উপসর্গে আরো ১৩ শিশুর...
সাদা পোশাকে মুগ্ধতা ছড়ালেন অপু বিশ্বাস
সাদা পোশাকে মুগ্ধতা ছড়ালেন অপু বিশ্বাস
চন্দ্রা এলাকার অর্ধশতাধিক বাস কাউন্টার বন্ধের নির্দেশ
চন্দ্রা এলাকার অর্ধশতাধিক বাস কাউন্টার বন্ধের...
যেকোনো ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবো : প্রধানমন্ত্রী
যেকোনো ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবো : প্রধানমন্ত্রী