পীরগাছায় দিনেশ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ২০০ পরিবারের মাঝে আর্থিক উপহার বিতরণ

প্রকাশিত: ৭:৩৪ অপরাহ্ণ , ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, সোমবার , পোষ্ট করা হয়েছে 8 months আগে
ছবি- কালের বিবর্তন।

মোঃজমির উদ্দিন,পীরগাছা (রংপুর): হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রংপুরের পীরগাছায় অসহায় ও দুস্থ পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে মানবতার কল্যাণে নিবেদিত সংগঠন দিনেশ ফাউন্ডেশন।

সোমবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ বিকেল ৪টায় উপজেলার কান্দিরহাট এলাকায় দিনেশ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে প্রায় ২০০টি অসহায় পরিবারের হাতে আর্থিক উপহার তুলে দেওয়া হয়।

দিনেশ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সুমন চন্দ্র বর্মন এর পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতা, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, ছাত্র-যুবকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

উপহার গ্রহণকালে অসহায় পরিবারের সদস্যদের চোখে-মুখে আনন্দের ঝিলিক ফুটে ওঠে। তারা বলেন, দিনেশ ফাউন্ডেশন এমন সময়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে, যখন তাদের সত্যিই সহায়তার প্রয়োজন ছিল। এজন্য তারা আয়োজকদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন— “ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার আগে আমরা মানুষ। মানুষের প্রতি ভালোবাসা, সহযোগিতা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনই সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি গড়ে তোলে। দিনেশ ফাউন্ডেশনের এই উদ্যোগ কেবল উপহার নয়, বরং মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত।”

দিনেশ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সুমন চন্দ্র বর্মন বলেন—
“আমাদের উদ্দেশ্য কেবল উপহার দেওয়া নয়, বরং সমাজে সহযোগিতা, ভ্রাতৃত্ব ও ভালোবাসার পরিবেশ সৃষ্টি করা। আমরা চাই—এই দুর্গাপূজা হোক সকল ধর্মের মানুষের মিলনমেলা।”

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানের পিতা শ্রী সুবল চন্দ্র বর্মন, সুযোগ্য সন্তান শুভশ্রী চন্দ্র বর্মন ও সুব্রত চন্দ্র বর্মন। উপস্থাপনা করেন প্রতিষ্ঠানের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মোঃ সুমন।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জাহাঙ্গীর আলম। সহ-সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহিন আলম, আকবর আলী ও বাবলু মন্ডল।

এছাড়া দিনেশ ফাউন্ডেশনের অন্যতম সদস্য মশিউর রহমান, রফিকুল ইসলাম লাভলু, রুবেল মিয়াসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেন, দিনেশ ফাউন্ডেশনের এই মহতী কার্যক্রম সমাজে সম্প্রীতির সেতুবন্ধন তৈরি করবে এবং অসহায় মানুষের জীবনে স্বস্তি ও আনন্দ বয়ে আনবে। ভবিষ্যতেও সংগঠনটি এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলে তারা প্রত্যাশা করেন।