
শিক্ষক নেতা আব্দুর রহমান বাচ্চু, যিনি বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষক পরিষদের সভাপতি। বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন তিনি। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের মধ্যে রয়েছে বিদ্যালয়ে দুর্নীতি, অর্থ লেনদেনের অস্বচ্ছতা, শিক্ষক ও ছাত্রদের মধ্যে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি এবং বিভাগীয় মামলা।
শিক্ষক আব্দুর রহমান বাচ্চু পৌরসভা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদানের চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু স্থানীয় ও অভিভাবকরা তীব্র বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেন তার বিরুদ্ধে । যার কারণে যোগদান করতে পারেননি আব্দুর রহমান বাচ্চু ।
বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করছিল, তিনি বিদ্যালয়ে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করেছেন, অর্থ ও প্রশাসনিক অনিয়ম করেছেন এবং শিক্ষার মান হ্রাস করেছেন।
এছাড়াও আব্দুর রহমান বাচ্চু বিভাগীয় মামলার আসামি,একটি মামলায় কারাবরণও করেন এবং তার চারিত্রিকগত সমস্যা আছে, তাই আমরা পৌর মডেল স্কুলের স্থানীরা ও অভিভাবকরা তার মতো অসৎ দুর্নীতিগ্রস্থ শিক্ষককে আমাদের স্কুলে চাই না। এছাড়াও, তারা অসদাচরণ ও ষড়যন্ত্রকারি হিসেবেও আখ্যায়িত করেন আব্দুর রহমান বাচ্চুকে।
পরবর্তীতে, পরিস্থিতি সামাল দিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক বাচ্চু মাদারীপুর পুলিশ লাইন্স সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। সম্প্রতি সেখানেও তিনি বিতর্ক তৈরি করেন। পুলিশ নিয়োগ পরীক্ষার জন্য তিন দিন স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ থাকলেও আব্দুর রহমান বাচ্চু চার দিন স্কুল বন্ধ রাখেন। এতে অভিভাবকরা ক্ষোভে প্রকাশ করেন।
তার বিরুদ্ধে চলমান বিভাগীয় মামলার কারণে বেতন-ভাতা অর্ধেক করা হয়েছে, যা তার বিতর্কিত অবস্থাকে আরও জোরদার করেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক বলেন, শিক্ষক আব্দুর রহমান বাচ্চু আমাকে সহ তার অধীনস্থ সকল শিক্ষক শিক্ষিকাকে সারাক্ষণই বিভিন্নভাবে লাঞ্ছিত করে এবং যেকোনো ব্যাপারে মামলার হুমকি দেয়। আব্দুর রহমান বাচ্চুর কর্মকাণ্ডে তিনি প্রধান শিক্ষকের পদমর্যাদাকে কলঙ্কিত করেছেন।
এই ধরনের শিক্ষকদের আমরা চাইনা। যে কোন শিক্ষকের সাথে তার মতের অমিল হলেই তাকে বিভিন্ন ঝামেলায় জড়িয়ে দেন আব্দুর রহমান বাচ্চু। তাছাড়া গণমাধ্যমে সে বেশ বিতর্কিত।
“শিক্ষক নেতা আব্দুর রহমান বাচ্চুর চাপে অতিষ্ঠ শিক্ষক শিক্ষা কর্মকর্তারা”
এরকম বিভিন্ন শিরোনামে তার নামে একাধিক সংবাদ প্রচারও হয়েছে। আব্দুর রহমান বাচ্চু বিভিন্ন বিতর্কিত কাজে ধরা খাওয়ায় একাধিকবার উপরস্থ কর্মকর্তাদের কাছে মুচলেকা দিয়েছে। এ ব্যাপারে আব্দুর রহমান বাচ্চুকে মুঠোফোনে ফোন দিলে তিনি রিসিভ করেননি।
সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রঞ্জন কুমার বোস বলেন, প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহমান বাচ্চুর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ বিগত দিনে আছে, আর পুলিশ নিয়োগ পরিক্ষার জন্য তিনদিন স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ ছিল। সেখানে তিনি কেন চারদিন স্কুল বন্ধ রেখেছেন, তা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ভালো বলতে পারবেন।
মন্তব্য লিখুন
আরও খবর
কমলগঞ্জে চা পাতা তুলতে গিয়ে বজ্রপাতে ৫ নারী...
কমলগঞ্জে চা পাতা তুলতে গিয়ে বজ্রপাতে...
হাম ও উপসর্গে আরো ১৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত...
হাম ও উপসর্গে আরো ১৩ শিশুর...
সাদা পোশাকে মুগ্ধতা ছড়ালেন অপু বিশ্বাস
সাদা পোশাকে মুগ্ধতা ছড়ালেন অপু বিশ্বাস
চন্দ্রা এলাকার অর্ধশতাধিক বাস কাউন্টার বন্ধের নির্দেশ
চন্দ্রা এলাকার অর্ধশতাধিক বাস কাউন্টার বন্ধের...
যেকোনো ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবো : প্রধানমন্ত্রী
যেকোনো ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবো : প্রধানমন্ত্রী
শেরপুর সরকারি কলেজ থেকে মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ২৫...
শেরপুর সরকারি কলেজ থেকে মেডিকেল ও...