নওগাঁর চার উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ২৫ জনের মনোনয়ন জমা; বাছাইয়ে থাকলেন ২২ জন

প্রকাশিত: ৮:৫৪ অপরাহ্ণ , ১৮ এপ্রিল ২০২৪, বৃহস্পতিবার , পোষ্ট করা হয়েছে 2 years আগে
ছবি- কালের বিবর্তন

প্রথম ধাপে আগামী ৮ মে নওগাঁর চারটি উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্টিত হতে যাচ্ছে। এই নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে শেষদিন পর্যন্ত মনোনয়ন দাখিল করেছিলেন ২৫ জন প্রার্থী। আজ দুপুরে চূড়ান্ত যাচাই-বাছাই শেষে ৪টি উপজেলার মোট ২২ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে নির্বাচন অফিস। আর ৩ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

বুধবার মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে বদলগাছী, মহাদেবপুর, ধামইরহাট, পত্নীতলা উপজেলার প্রার্থীরা এসব মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটানিং অফিসার মো. তারিফুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, বদলগাছী উপজেলার চেয়ারম্যান পদে ৯ জন মনোনয়ন দাখিল করেন। চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন- শামসুল আলম, ইমামুল আল হাসান, আবু খালেদ বুলু, বাবর আলী, হিরক তালুকদার, শহীদুল ইসলাম, মিঠু মন্ডল, জবির উদ্দিন, এসএম সাইদুর রহমান। চূড়ান্ত যাচাই-বাছাইয়ে হিরক তালুকদারের মনোনয়ন পত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়। এই উপজেলায় বর্তমানে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচনে প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৮জন প্রার্থী।

মহাদেবপুর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৮ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন- শহীদুল ইসলাম, ময়নূল ইসলাম, আহসান হাবিব, আনোয়ার হোসেন, মাসুদুর রহমান, আয়েসা বেগম, সাজ্জাদ হোসেন এবং ওবাইদুল্লাহ হক বাচ্চু। চূড়ান্ত যাচাই-বাছাইয়ে আনোয়ার হোসেনের মনোনয়ন পত্র বাতিল হয়। এই উপজেলায় বর্তমানে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থী রইলেন ৭ জন।

ধামইরহাট উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৬ জন মনোনয়ন দাখিল করেছেন। চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন- ওসমান আলী, শহীদুল ইসলাম, আবু নাসের মো. আফজাল হোসেন, আজহার আলী, আয়েন উদ্দিন ও মো. আতাউর রহমান। যাচাই-বাছাই শেষে আয়েন উদ্দিনের মনোনয়ন পত্র বাতিল বলে গণ্য করা হয়। এই উপজেলায় বৈধ নির্বাচনী প্রার্থী থাকলেন ৫ জন।

পত্নীতলা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ২ জন মনোনয়ন দাখিল করেন। চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন- আ.লীগ নেতা মো. খালেক চৌধুরি ও আব্দুল গাফ্ফার। দুজনই আ.লীগের শক্তিশালী নেতা বলে জানা গেছে। খালেক চৌধুরী উপজেলা আ.লীগের সভাপতি ও আব্দুল গাফ্ফার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। এই উপজেলায় চূড়ান্ত যাচাই-বাছাইয়ে ২ জন প্রার্থী রয়ে গেছেন।

জানা যায়, মনোয়নয় জমা দেওয়ায়ার আগে থেকেই প্রার্থীরা সরব ছিলেন মাঠে। অনেকে ফেসবুক, পাড়া-মহল্লাায় ও নানা মাধ্যমে প্রার্থীতার জানান দিয়েছেন আগেভাগেই। আর প্রার্থীদের বেশিরভাগই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের দায়িত্বশীল নেতাকর্মী বা সর্মথকরা।