• ছবিঘর ফিচার
  • ঈদে বাড়ি যেতে না পারায় স্বামীর সাথে অভিমানে স্ত্রীর আত্মহত্যা

ঈদে বাড়ি যেতে না পারায় স্বামীর সাথে অভিমানে স্ত্রীর আত্মহত্যা

প্রকাশিত: ৪:২৬ অপরাহ্ণ , ১০ এপ্রিল ২০২৪, বুধবার , পোষ্ট করা হয়েছে 2 years আগে
ছবি- কালের বিবর্তন

শেরপুরের নকলায় ঈদে বাড়ি যেতে না পারায় স্বামীর সাথে অভিমান করে আত্মহত্যা করেছেন তারজিনা আক্তার স্মৃতি নামে এক সন্তানের জননী। ১০ এপ্রিল বুধবার ভোররাতে উপজেলার জালালপুর এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্বামী তানজিল আহমেদকে আটক করেছে নকলা পুলিশ।

আটককৃত তানজিল সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার গুনেরগাথী এলাকার আব্দুল মান্নানের পুত্র।

বিষয়টি সত্যতা নিশ্চিত করেছেন নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল কাদের মিয়া।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, সিরাগঞ্জের সদর উপজেলার সাহেদানগড়া এলাকার আবু বক্তব সিদ্দিক মিয়ার কন্যা তারজিনা আক্তার স্মৃতি। তার বিয়ে হয় একই উপজেলার গুনের গাথী গ্রামের আব্দুল মান্নানের পুত্র তানজিল আহমেদের সাথে। দেড় বছর আগে তাদের কোলজুড়ে আসে একটি পুত্র সন্তান। তানজিন আহমেদ প্রায় দুই বছর আগে সেখানে ওয়ালটনের সেলস অফিসার হিসেবে চাকরিতে যোগ দান করেন।

প্রায় চার মাস আগে তিনি নকলায় বদলি হয়ে আসেন। সেই সুবাদে তিনি স্ত্রী-সন্তান নিয়ে নকলা পৌরসভাধীন জালালপুর এলাকায় সাবেক পৌর কাউন্সিলর হাবুলের বাসায় ভাড়া থাকতেন।মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঈদের ছুটিতে বাড়ি যাওয়ার কথা ছিলো তাদের। বাড়ি যাওয়ার জন্য সন্তানকে নিয়ে তৈরি হয়ে থাকেন স্মৃতি। কিন্তু তানজিনের অফিস থেকে ছুটি পেতে রাত ৮টা বেজে যায়।

সে সময় বাসায় গিয়ে তার স্বামী তানজিন বলেন ছোট ছেলেকে নিয়ে এতরাতে যাওয়া ঠিক হবে না। রাস্তায় গাড়ির প্রচুর জ্যাম আমরা সকালে যাবনি। এই কথা বলায় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এবং এক পর্যায়ে হাতাহাতিও হয়।

পরে ছোট ছেলেটিকে নিয়ে ঘুমিয়ে পরেন তারা। সেহরি খাওয়ার জন্য সজাগ পেয়ে দেখে তার স্ত্র‍ী স্মৃতি পাশে নেই। পরে বারান্দায় গিয়ে দেখেন তার স্ত্রী গলায় উড়না পেচিয়ে বারান্দার গ্রিলের সাথে ঝুলে আছে। পরে তাকে উদ্ধার করে নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক স্মৃতিকে মৃত ঘোষণা করেন।

নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল কাদের মিয়া বলেন, এ ঘটনায় আমরা নিহতের স্বামী তানজিলকে আটক করেছি। নিহতের লাশ থানা হেফাজতে রয়েছে। দুপক্ষের পরিবারের লোকজনদের খবর দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী আইনী কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।