জাম্বুরা খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে ৫বছরের শিশুর শ্লীলতাহানির অভিযোগ

প্রকাশিত: ৫:১৬ অপরাহ্ণ , ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩, শনিবার , পোষ্ট করা হয়েছে 3 years আগে

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ জাম্বুরা খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে ৫ বছরের এক শিশুকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে উঠেছে মো.আলম (কবিরাজ) (৭০) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের মধ্যভাগ এলাকার নইনারপার বাজারের পাশে একটি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়।অভিযুক্ত আলম কবিরাজ একই এলাকার মৃত খলিল মিয়ার ছেলে।

স্থানীরা জানান, জাম্বুরা খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে ৫ বছরের এক শিশুকে লোভ দেখিয়ে একটি ঘরে নিয়ে দরজা বন্ধ করে ৫ মিনিটের মতো শরীরের বিভিন্ন স্থানে স্পর্শ করতো। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হওয়ার পর শনিবার বিচারের মাধ্যমে শেষ হবে বলে জানান স্থানীরা।

শিশুটির বাবা সোহেল মিয়া জানান,‘বিষয়টি প্রথমে আমার জানা ছিল না। পরে আমার স্ত্রীর মাধ্যমে জানতে পারলাম এলাকার কবিরাজ নামে পরিচিত সোহেল মিয়া আমার মেয়েকে জাম্বুরার লোভ দেখিয়ে একটি কক্ষে নিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে স্পর্শ করে। শনিবার দুপুরে স্থানীয় বাজারে এলাকার ইউপি চেয়ারম্যার বিষয়টি সমাধান করে দিয়েছেন।তিনি আর এমন কাজ করবেন না বলে সাদা কাগজে সাক্ষর দিয়েছে।

শিশুটির বাবা আরও বলেন,আমি এখানকার স্থানীয় বাসিন্ধা না। আমি মামলা টামলা করে চালানোর মতো ক্ষমতা নাই। যার কারণে স্থানীয় চেয়ারম্যান যে বিচার করে দিবেন আমার মেয়ের হয়ে আমি সেই বিচার মেনে নিবো।আমিও বিচারে আল্লাহর ওয়াস্তে ছেড়ে দিছি।’

স্থানীয় ইউপি সদস্য আজীম উদ্দিন জানান,‘জাম্বুরা খাওয়ানোর কথা বলে মেয়েটাকে দস্তা দস্তী করেছে একটু আদর করেছে। এগুলো প্রমানীত হয়েছে। আমরা স্থানীয়রা বিষয়টা নিয়ে আদমপুর ইউনিয়নের নইনারপার বাজারে বসেছিলাম এখানে চেয়ারম্যান আব্দাল হোসেন ও পুলিশের লোকও ছিল। সিন্ধান্ত হয়েছে এই এলাকায়(বাজারে) ৩ মাসের জন্য আলম কবিরাজ আসতে পারবেন না। তিনি তাবিজ কবজ দেন এলাকায় সেটাও করতে পারবেন না।’

বিচারের মাধ্যমে একটা মেয়েকে রুমে আটক করে আদর ও তার শরীরের গোপন বিভিন্নস্থানে স্পর্শ করার প্রমানিত হওয়ার পর ও এ কেমন বিচার হল? এ বিষটা জানার জন্য প্রতিবেদক জানতে চাইলে তিনি বলেন,এখন চেয়ারম্যান বাকিটা জানেন আমি বলতে পারবো না।’

কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সঞ্জয় চক্রবর্তীর মোটোফোনে এ বিষয়টি জানার জন্য একাধিকবার কল করলেও পাওয়া যায়নি।