মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর প্রথমবার মুখ খুললেন ক্রিস্টা পাইক

প্রকাশিত: ২:৫৮ অপরাহ্ণ , ৩১ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার , পোষ্ট করা হয়েছে 3 hours আগে
সংগৃহীত ছবি।

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যের কারাগারে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা থেকে বেঁচে যাওয়া ক্রিস্টা পাইক প্রথমবারের মতো মুখ খুলেছেন। ৫০ বছর বয়সি এই নারী জানিয়েছেন, তিনি এখন সারাক্ষণ শারীরিক যন্ত্রণার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার এই করুণ পরিস্থিতির কথা তুলে ধরেন এবং জানান কীভাবে তিনি মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে এসেও প্রতিদিন ধুঁকে ধুঁকে বাঁচছেন।

ক্রিস্টা পাইককে ১৯৯৬ সালে এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘ বছর ধরে তিনি কারাগারে বন্দি জীবন কাটাচ্ছেন। সম্প্রতি তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের একটি প্রক্রিয়া চালানো হয়েছিল, যা কোনো অজানা কারণে শেষ মুহূর্তে ব্যর্থ হয়। এই ঘটনার পর থেকেই তিনি গণমাধ্যমের মুখোমুখি হননি।

এবার দীর্ঘ নীরবতা ভেঙে তিনি নিজের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার কথা প্রকাশ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, ওই প্রক্রিয়ার পর থেকে তার শরীরে স্থায়ী জটিলতা তৈরি হয়েছে এবং তিনি প্রতিনিয়ত অসহ্য যন্ত্রণা ভোগ করছেন।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো ক্রিস্টা পাইকের এই পরিস্থিতির পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা বলছেন, একজন বন্দির ওপর এ ধরনের ট্রমা বা শারীরিক নির্যাতন মানবাধিকারের লঙ্ঘন।

অন্যদিকে কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিয়ম অনুযায়ীই সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছিল। ক্রািষ্টা পাইকের এই সাক্ষাৎকারটি মার্কিন সমাজে নতুন করে মৃত্যুদণ্ড এবং কারাগার ব্যবস্থার নৈতিকতা নিয়ে বড় ধরনের বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

আইনি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই মন্তব্যের ফলে তার আইনজীবীরা নতুন কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ পেতে পারেন।