শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছে”, “রুমিন ফারহানা

প্রকাশিত: ৭:৩৮ পূর্বাহ্ণ , ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, রবিবার , পোষ্ট করা হয়েছে 4 months আগে
ছবি- কালের বিবর্তন।

মো. তাসলিম উদ্দিন সরাইল(ব্রাহ্মণবাড়িয়া): ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী, ও বিএনপি থেকে সদ্য বহিষ্কৃতও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, সাবধান হয়ে যান মানুষ অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামছে। শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছে। আপনারাও এমন কিছু করবেন না, যেন মানুষ আপনাদের থেকেও মুখ ফিরিয়ে নেয়।

আপনারা আমার কথা শুনেন নাই। ফলাফলে দেখা যাবে “ইনশাল্লাহ”মানুষ কার সাথে আছে। রুমিন বলেন,আগামী নির্বাচন চাঁদাবাজ ও মামলাবাজির বিরুদ্ধে নির্বাচন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন। আমার এলাকায় কোন চাঁদাবাজি চলবে না।

গতকাল শনিবার (৩১ জানুয়ারি) আশুগঞ্জ উপজেলার যাত্রাপুর নির্বাচনী সভায় এ কথা বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা।দেশের পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাকসু, রাকসু, চাকসু, জাবি ও জবি নির্বাচন তাকিয়ে দেখুন, মানুষ কিন্তু জবাব দেয়া আরম্ভ করেছে। আজ থেকে দেড় বছর আগে বলেছিলাম, সাবধান হয়ে যান মানুষ অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামছে।

শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছে। আপনারাও এমন কিছু করবেন না, যেন মানুষ আপনাদের থেকেও মুখ ফিরিয়ে নেয় বলেও জানান তিনি।ব্যারিস্টার রুমিন বলেন, বড় বড় দলগুলো মনে করে মার্কাই সব। খাটের তলা থেকে বাহির হয়ে যদি মনে করেন, মার্কায় চড়ে পাস হয়ে যাবেন, ওইদিন আর নাই। মানুষ অনেক সচেতন।

গত ১৭ বছর পর চোখ খুললে সবকিছু নতুনই লাগার কথা। মানুষ আর এখন ১৭ বছর আগের মানুষ নাই। সবার হাতে হাতে মোবাইল টেলিফোন। এ ১৭ বছর আন্দোলন সংগ্রাম কারা করেছে সবাই জানে। আপনারা আমার কথা শুনেন নাই। ফলাফলে দেখা যাবে মানুষ কার সাথে আছে। রুমিন বলেন, আশুগঞ্জ হচ্ছে একটা বাণিজ্যিক নগরী।

হাজার-হাজার লাখ লাখ কোটি টাকার লেনদেন হয় এ আশুগঞ্জে। এখানে বড় বড় চালকল আছে, বন্দর রয়েছে, আমাদের গ্যাস আছে, বিদ্যুৎ কারখানা আছে। এত কিছু থাকার পরও আশুগঞ্জ কেন পৌরসভা হলো না। তিনি বলেন, আমরা যোগ্য নেতৃত্ব পাই নাই। আমাদেরকে মার্কা দেখাইয়া ঘুম পাড়ায়াই রাখা হয়েছে।

আর কোন মার্কার উপর আমরা ভরসা করবো না।এ নির্বাচন আপনারা যদি যোগ্য প্রার্থী বেছে নিতে পারেন, ইনশাল্লাহ পাঁচ বছর, শান্তিতে উন্নতিতে এলাকার সমৃদ্ধ হবে। আর যদি প্রার্থী নির্বাচনে ভুল হয়, যেমনটা স্বাধীনতার পর একটু একটু করে এ দুটি উপজেলা পিছিয়ে গেছে আরো পাঁচ বছরের জন্য পিছিয়ে যাবে।

সুতরাং ১২ তারিখে নির্বাচন হবে হাঁস মার্কার বলেন তিনি।
তিনি বলেন, হাঁস মার্কা হচ্ছে উন্নয়নের মার্কা, জনগণের অধিকারের মার্কা। হাঁস মার্কা জনতার মার্কা। হাঁস মার্কা একা সংসদে দাঁড়িয়ে সংসদকে অবৈধ বলার সাহসের মার্কা।গত ১৭ বছর মজলুম থাকার পরে ১৭ মাসে কিভাবে জালিম হয়ে উঠা যায় এটা আমরা কমবেশ সবাই দেখেছি।

সুতরাং আগামী নির্বাচন সকল প্রকার অন্যায়-অবিচার, অত্যাচারের জবাব দেওয়ার নির্বাচন।ফলাফলে দেখা যাবে “ইনশাল্লাহ”মানুষ কার সাথে আছে এই চ্যালেঞ্জ রুমিন ফারহানা।