নওগাঁয় জমি নিয়ে বিরোধ, হামলায় আহত ৪

প্রকাশিত: ৩:০৯ অপরাহ্ণ , ১০ ডিসেম্বর ২০২৪, মঙ্গলবার , পোষ্ট করা হয়েছে 1 year আগে
ছবি- কালের বিবর্তন

নওগাঁয় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে হামলার ঘটনায় ৪ জন আহত হয়েছেন। সদর উপজেলার সাহাপুর কান্দুরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, নওগাঁ সদর উপজেলার সাহাপুর কান্দুরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আলেফ দপ্তরীর সাথে জমি নিয়ে পূর্ববিরোধ ছিল একই এলাকার রুবেল হোসেন ও তার পরিবারের সাথে।

এরই জেরে গত ৬ডিসেম্বর বিকেল ৫টার দিকে আলেফ এর বাড়ির সামনে সংঘবদ্ধ হয়ে প্রধান অভিযুক্ত রুবেল হোসেন, তার দুলাভাই মোঃ সুজন, রুবেল এর স্ত্রী মারুফা,বোন পারুল, বুলি, ভাগ্নি ফারজানা মাবিয়াসহ আরও ১৫ থেকে ২০জন বাড়ির দরজা জানালা ও আসবাপত্র ভাংচুর করে।

বাড়ির পশ্চিম দিকের নব-নির্মিত ইটের প্রাচীর হাতুড়ি ও হাম্বর দ্বারা ভেঙে ফেলে এবং জানালার পাল্লা সমূহ ও গ্রীলে আঘাত করে বাড়ির ভিতরে হামলার উদ্দেশ্যে চাইনিজ কুড়াল, চাপাতি, রামদ ও শাবল দিয়ে বাড়ির মেইনগেটে উপর্যুপরি আঘত করে দরজা ভেঙ্গে বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করে।

এসময় বাঁধা দিতে গেলে তাদের হামলায় গুরুত্বর আহত হয় আলেফ দপ্তরী তার স্ত্রী মনোয়ারা বেগম, আরেক স্ত্রী জোছনা বেগম, মেয়ে দুলালী ও ছেলে তারেক দপ্তরী। তাদের ডাক চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে হুমকি দিয়ে চলে যায় হামলাকারীরা।

হামলায় আহত আলেফ দপ্তরী বলেন, আমরা একই এলাকায় বসবাস করি। তবুও তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমাদের উপর পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা করা হয়েছে। তাদের হাত থেকে পরিবারের মেয়েরাও রক্ষা পায়নি। তাদের উদ্দেশ্যই হয়তো ছিল আমাদেরকে মারপিট করে বাড়ি ছাড়া করা। উল্টো শুনছি তারাই নাকি আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। এ ঘটনার সাথে যারা জড়িত সঠিক তদন্ত করে তাদের কঠিণ শাস্তির দাবি করছি।

প্রধান অভিযুক্ত রুবেল হোসেন বলেন, আলেফ দপ্তরীর সাথে একটি জায়গা নিয়ে বিরোধ ছিল। কিছুদিন আগে প্রশাসনের লোকজন এসে জায়গাটি আপাদত যেন কেউ ব্যবহার না করে এমন নির্দেশনা দেয়। যেহেতু কাগজ কারো কাছেই নাই । আমরা সেটাই মেনে নিয়েছিলাম।

তবে কিছু দিন আগে তারাই এসে আমার পরিবারের লোকজনের সাথে গন্ডোগল করে, এমনকি মারধরও করে। ঘটনার দিন জানতে পারলাম আলেফ এর ছেলে আরমান বাড়িতে এসেছে। তারপর সবাই মিলে গিয়েছিলাম। তখন মারামারি হয়েছিল। আমি শুধু একা নয় অনেকেই গিয়েছিল ইয়াদ আলীর মোড় দলীয় অফিস থেকে আমার সাথে। আমরাও থানায় মামলা করেছি।

নওগাঁ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী সাথে যোগাযোগ করা হলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।