কষ্ট লাগে! যখন শুনি কোন আওয়ামী লোক দলের প্রোগ্রামে ডোনেশন করে??

প্রকাশিত: ৬:৪০ পূর্বাহ্ণ , ১ ডিসেম্বর ২০২৪, রবিবার , পোষ্ট করা হয়েছে 2 years আগে
ছবি- কালের বিবর্তন

মো. তাসলিম উদ্দিন,সরাইলঃ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে মো. আমান উল্লাহ আজ শনিবার আবেগঘন ওই স্ট্যাটাস দেয়ার পর সরাইলে বিএনপি নেতা কর্মীদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। তবে তার লিখিত বক্তব্য ফেসবুকে শেয়ার করে স্বাগত জানিয়েছেন অনেকেই।

তার ফেসবুকের লেখা ও ওই সময় পুলিশের আটকের একটি ছবি হুবহু দেওয়া হলো। রাজনীতিতে গ্রুপিং উপগ্রুপিং থাকবেই। আর বিএনপি যেহেতু একটা বড় গনতান্ত্রিক দল এখানে গ্রপিং থাকাটাই স্বাভাবিক।সারা বাংলাদেশের সব জেলা উপজেলাতে দুই তিনটা গ্রুপ মোটামোটি সবখানেই আছে।

তবে বিএনপির কেন্দ্র থেকে এগুলো যতটুকু পারে সমাধানের চেষ্টা করতেছে। তারপরও কিছু জায়গাই কিছুটা গ্রপিং থাকবেই। এটা মেনেই বা দেখেই রাজনীতি করতে হবে। আমান বলেন,এই দলটার পিছনে জীবনের গোল্ডেন সময়টা ব্যয় করছি। ছাত্রদল করার কারনে কোথাও চাকরিও করতে পারি নাই বা চাকরি পাই ই নাই।

ছাত্রদল করার কারনে একাধিকবার জেলও খাটছি। কিন্তু এগুলো নিয়ে মনে কোন কষ্ট নাই। দলের প্রতি টান আর অকৃত্তিম মায়াই যে কোন আন্দোলন সংগ্রামে সংযুক্ত থাকার চেষ্টা করছি সবসময় সাধ্যমত। জুলাই আগষ্টের আন্দোলনেও অনলাইনে অফলাইনে সকল ক্ষেত্রেই সর্বোচ্চ অবধান রাখার চেষ্টা করছি।

চোখের সামনে কত তরতাজা প্রান ঝড়ে যেতে দেখছি। অন্যান্য শহীদ ভাইয়ের মত আমরাও মারা যাইতাম হইতো। হায়াৎ আছে এইজন্য হইতোবা বেচে আছি। তিনি ফেসবুকে আরো লেখেন,দলের জন্য রক্ত দিছি, মাইর খাইছি, জেল খাটছি এইজন্য দলটার প্রতি মায়া বেশি। দল ভাল থাকলে আমরা ভাল থাকব।

দল বিপদে পরলে আমরাই বিপদে পরব বেশি। অনেক লোক ই তো আতাত করে বেচে যাই। কিন্তু আমরা তো তা আর পারি না।সর্বশেষ কথা হইলো দলের লোক দলের প্রোগ্রামে এটেন্ড করুক। মিছিল করুক। মিটিং করুক। কিন্তু কোন আওয়ামী লোকরে জাতীয় পার্টির লোকরে যখন দলের প্রোগ্রামে দেখি, মিছিলে দেখি স্টেজে দেখি তখন কষ্ট লাগে।

যখন শুনি কোন আওয়ামী লোক দলের প্রোগ্রামে ডোনেশন করে ডোনার হয় আর আমরা বিএনপির লোকেরা তাদের টাকাই প্রোগ্রাম করি তখন কষ্ট লাগে।আওয়ামী পুনর্বাসন না হোক। দলের তৃনমুলের কর্মীটা পর্যন্ত মুল্যায়িত হোক।দল বাচলেই আমরা বাচবো।