মহানবি (স.)-কে কটূক্তি ও ধর্ম অবমাননার অভিযোগে জাবি শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার

প্রকাশিত: ৯:১৮ অপরাহ্ণ , ১৩ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার , পোষ্ট করা হয়েছে 2 days আগে
ছবি- কালের বিবর্তন।

মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কটূক্তি ও ধর্ম অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ৫১ ব্যাচের শিক্ষার্থী সৈকত হালদারকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই ঘটনায় অভিযোগ তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা গেছে। আদেশ অনুযায়ী, সৈকত হালদার ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের (৫১ ব্যাচ) শিক্ষার্থী। তার ক্লাস রোল ১১৮৬ এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর ২০২২২০৫৫৭৯২। তিনি শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হলের আবাসিক শিক্ষার্থী।

অফিস আদেশে বলা হয়, অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর মন্তব্যের মাধ্যমে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য প্রণীত শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ-২০১৮-এর ৪(১)(খ) ধারা অনুযায়ী তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এ ছাড়া, একই অধ্যাদেশের ২(গ) ধারা অনুযায়ী অসদাচরণের অভিযোগ তদন্ত করে সুপারিশসহ প্রতিবেদন প্রদানের জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোস্তফা নাজমুল মানছুর।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (আইবিএ-জেইউ) অধ্যাপক ড. কে এম জাহিদুল ইসলাম এবং শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হলের ওয়ার্ডেন ড. মো. আলমগীর কবির। কমিটির সদস্য-সচিব হিসেবে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (সাধারণ প্রশাসন) মো. মাহতাব-উজ-জাহিদ।

অফিস আদেশে তদন্ত কমিটিকে ১০ কর্মদিবসের মধ্যে সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. এ বি এম আজিজুর রহমান স্বাক্ষরিত আদেশে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এবিষয়ে শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. খোন্দকার লুৎফুল এলাহী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাকে সাময়িক বহিষ্কার ও তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ ছাড়াও তার রুমের সকল জিনিসপত্র হল কতৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে।