বর্তমান সময়ে তরুণ-তরুণীদের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সমস্যা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে এই পরিস্থিতির জন্য শুধুমাত্র অতিরিক্ত রোগ নির্ণয় বা ওভার-ডায়াগনোসিসকে দায়ী করলে চলবে না। এর নেপথ্যে রয়েছে গভীর সামাজিক পরিবর্তন, ক্রমবর্ধমান মানসিক চাপ এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবার তীব্র অভাব। এসব বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়ে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা সময়ের দাবি।
ইংল্যান্ডে মানসিক স্বাস্থ্য, মনোযোগের ঘাটতিজনিত অতিসক্রিয়তা বা এডিএইচডি এবং অটিজম নিয়ে সম্প্রতি প্রকাশিত একটি স্বাধীন প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আধুনিক জীবনযাত্রার দ্রুত পরিবর্তন, প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তরুণ প্রজন্মের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে করোনপরবর্তী সময়ে এই সংকট আরও বেশি ঘনীভূত হয়েছে।
পরিবার ও সমাজ ব্যবস্থার পরিবর্তনের কারণে তরুণরা অনেক সময় একাকীত্বে ভুগে থাকে। তাদের মনের কথা শোনার মতো মানুষের অভাব এবং প্রথাগত মানসিক স্বাস্থ্য সেবার জটিলতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন, কেবল রোগ শনাক্তকরণের পরিসংখ্যান নিয়ে না ভেবে, তৃণমূল পর্যায়ে মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহজলভ্য কাউন্সেলিং সেবা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। অন্যথায় এই সংকট আগামী দিনে আরও বড় আকার ধারণ করতে পারে।
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ জহির রায়হান
প্রধান কার্যালয়ঃ ১০৭ মতিঝিল বা/এ, ৯ম তলা, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০
মোবাইলঃ 01713-733969, 01924-665561, ইমেইলঃ news@kalerbiborton.com
© কালের বিবর্তন ২০১৯ - ২০২৪ সর্বসত্ব সংরক্ষিত