
তথ্য কমিশনের প্রধান তথ্য কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. নাহরিন ইসলাম খান। একই সঙ্গে তাঁকে আগামী দুই বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবেও মনোনয়ন দিয়েছে সরকার। এ ছাড়া তথ্য কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক এস এ এম মাহফুজুর রহমান ও খান মোহাম্মদ আবুল হোসেন।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯’-এর ১৫(১) ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ড. নাহরিন ইসলাম খানকে প্রধান তথ্য কমিশনার এবং এস এ এম মাহফুজুর রহমান ও খান মোহাম্মদ আবুল হোসেনকে তথ্য কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। তাঁদের পদমর্যাদা, পারিশ্রমিক, ভাতা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধা সরকার নির্ধারণ করবে।
অন্যদিকে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ১৯৭৩’-এর ২২(১)(জি) ও ২২(৩) ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খানকে দুই বছরের জন্য সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
একই আদেশে উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. ছালেহ আহাম্মদ খানের অনুকূলে আগে জারি করা সংশ্লিষ্ট মনোনয়নের আদেশের অংশবিশেষ বাতিল করা হয়েছে।
অধ্যাপক ড. নাহরিন ইসলাম খান দুই দশকের বেশি সময় ধরে শিক্ষকতা, গবেষণা ও নীতিপ্রণয়নের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভূগোল ও পরিবেশ বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে জার্মানির মারবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি নেন।
এ ছাড়া জার্মানির ফ্রেইবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিবেশনীতি ও পরিবেশগত বিরোধ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে আরেকটি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। অস্ট্রিয়ার বোকু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জেন্ডার স্টাডিজেও ডিপ্লোমা করেছেন তিনি।
বর্তমানে অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান মাধ্যমিক শিক্ষাক্রমের ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ কর্মসূচির উন্নয়ন ও সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। এ ছাড়া তিনি ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সিন্ডিকেট সদস্য, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘হিট’ প্রকল্পের জাতীয় বিশেষজ্ঞ কমিটির সদস্য এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) যৌন হয়রানি ও ডিজিটাল সহিংসতা প্রতিরোধ কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
উল্লেখ্য, জনগণের তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করা এবং রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ‘তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯’-এর অধীনে তথ্য কমিশন গঠিত হয়।
মন্তব্য লিখুন
আরও খবর
গোয়াইনঘাটে স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তা সংস্কার
গোয়াইনঘাটে স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তা সংস্কার
পাইকগাছায় এনজিও বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত
পাইকগাছায় এনজিও বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত
শিশু হাসপাতালে ধূমপান, চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
শিশু হাসপাতালে ধূমপান, চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ...
রংপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেত্রী গ্রেপ্তার
রংপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেত্রী গ্রেপ্তার
আমার কোনো আত্মীয় নাই, যাকে সারের ডিলার শিপ...
আমার কোনো আত্মীয় নাই, যাকে সারের...
মাটির উর্বরতা কমছে কীটনাশকের অতিরিক্ত ব্যবহারে
মাটির উর্বরতা কমছে কীটনাশকের অতিরিক্ত ব্যবহারে