কমলগঞ্জে কলা ও লেবুর দামে দিশেহারা নিম্ন আয়ের মানুষ

প্রকাশিত: ৩:৪১ অপরাহ্ণ , ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, শুক্রবার , পোষ্ট করা হয়েছে 3 months আগে
ছবি- কালের বিবর্তন।

আব্দুর রাজ্জাক রাজা,কমলগঞ্জ: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে রমজান মাস শুরুর সাথেই পুষ্টিকর ফল কলার দাম অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর সাথে তাল মিলিয়ে দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ দাম বেড়েছে লেবুর। কয়েকদিনের ব্যবধানে প্রতি হালি কলায় দাম বেড়েছে ১০ থেকে ৩০ টাকা। দাম নিয়ন্ত্রণে ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ক্রেতারা।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, কয়েকদিনের ব্যবধানে কলা ব্যবসায়ীরা প্রতি হালি কলাতে ১৫ থেকে ৩০ টাকা বেশি দামে বিক্রি করছেন। রমজান মাস শুরু হওয়ায় ফড়িয়া ব্যবসায়ীরা দাম ইচ্ছেমতো আদায় করছেন। ২০ টাকা হালি দামের কলা বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। চাম্পা কলা ও সাগর কলা প্রায় একই দামে বিক্রি হচ্ছে।

এর মধ্যে কঁচি কলাও কেমিক্যাল দিয়ে পাকিয়ে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। পাশাপাশি লেবুর হালি ২০ টাকা থেকে বেড়ে ৮০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে ব্যবসায়ীদের দাবি রমজান মাস আসার কারনে বেশি দামে কলা ও লেবু কিনে আনতে হচ্ছে। ফলে সে অনুযায়ী দাম বাড়িয়ে বিক্রি করতে হচ্ছে।

বাজারে কলা কিনতে আসা মশিউর রহমান চৌধুরী বলেন, প্রায় সময় চম্পা কলা কিনে থাকি ১৫ থেকে ২০ টাকা হালি। রমজান মাস আসায় হঠাৎ করে কলার হালি ৩০ টাকা ও ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, রোজাদারদের অধিকাংশই রমজানে সেহরির সময়ে দুধ কলা দিয়ে ভাত খেয়ে থাকেন। ফলে কলার চাহিদাও কিছুটা বেশি থাকে।

অপর কলা ব্যবসায়ী মকুল মিয়া বলেন, রমজান আসলে কিছুটা কলার দাম বাড়ে। আমরাও বিভিন্ন এলাকা বা পাইকারি বাজার থেকে দাম দিয়ে কিনে আনতে হয়। দামে কিনে কিছু টাকা লাভ রেখে বিক্রি করি। আমাদের তো কিছু করার নাই।

কাঁচা মাল ব্যবসায়ী ভুষন রায় বলেন, বাজারে লেবুর চাহিদা বেড়েছে ফলে শ্রীমঙ্গলস্থ আড়তে লেবু বেশী দামে কিনতে হচ্ছে। আমরা ও অল্প লাভে বিক্রি করছি।

কমলগঞ্জ উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সব সময় বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। রমজান মাসে যাতে কোনোভাবে ব্যবসায়ীরা যেকোন পন্যে অতিরিক্ত ফায়দা লুটতে না পারে প্রশাসন সেভাবে কাজ করছে।