সরাইলে পুকুরে কচুরি পানায় বেড়েছে মশা-মাছি, বিভিন্ন রোগের শঙ্কা

প্রকাশিত: ২:৪৫ অপরাহ্ণ , ৮ ডিসেম্বর ২০২৫, সোমবার , পোষ্ট করা হয়েছে 6 months আগে
ছবি- কালের বিবর্তন।

মো. তাসলিম উদ্দিন সরাইল(ব্রাহ্মণবাড়িয়া): সরাইল উপজেলা সদর উচালিয়া পাড়া রসমতহাটি, মুন্সি পাড়া ও হিন্দু পাড়া মধ্যস্থানে গোয়ালপুকুর ছেয়ে আছে কচুরি পানায়, হয়ে গেছে পানি দুর্গন্ধ। এ অবস্থায় ওইখানে বেড়েছে, পরিণত হয়েছে মশা আর মাছির আনাগোনা।

এসবের উপদ্রপে নানা পানি বাহিত রোগ সহ বাড়ছে পারে ডেঙ্গু। ভোগান্তি পোহাচ্ছে পুকুর পাড়ের কয়েকটি পরিবার।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পুকুরের একটি মামলা কে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে পুকুরে পরিষ্কার- পরিচ্ছন্ন না হয়ে।

সুষ্ঠু রক্ষণাবেক্ষণ না করায় পানি নিষ্কাশন হচ্ছে না। ফলে পুকুরটিতে ছেয়ে গেছে কচুরিপানায়। ভালোভাবে পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় এবং কচুরিপানায় ভরে থাকায় পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়েছে। মশা আর মাছির কারণে পুকুর পাড়ে যারা বাস করেন তাদের প্রত্যেক পরিবারেই পানিবাহিত রোগ দেখা দিয়েছে।

মানুষ ডেঙ্গু সহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা করছে। সরেজমিনে দেখা যায়,পুকুর পাড়ের মানুষ পানি ব্যবহার করতে পারছে না। একসময় এই পুকুরটিতে মাছের চাষ করা হতো।বর্তমানে কচুরিপানার কারণে তা বন্ধ হয়ে গেছে।

পুকুর পাড়ের ইউনুস মুন্সী বলেন, পুকুর নিয়ে মামলা রয়েছে আদালতের বিষয়। এই অবস্থা আজ অনেক বছর ধরে চলছে। উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে আমরা চাই পানি ও কচুরীপানা সরানোর স্থায়ী ব্যবস্থা।

ফজল মিয়া বলেন, ‘সকাল-বিকাল মশার কামরে আমরা অতিষ্ঠ। এদিকে দেখা দিতে পারে ডেঙ্গু। তিনি বলেন, ‘কচুরিপানার কারণে পুকুরে পানি নষ্ট হয়ে গেছে। এখন আবার মশার জ্বালা, ঘরে থাকতে পারছি না।উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ কর্মকর্তা ডা. নাজিম উদ্দিন বলেন,মশা আর মাছিতে ডেঙ্গু, কলেরা আমাঁশাসহ পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়তে পারে।

চুলকানি, এলার্জি, দাউদসহ বিভিন্ন রোগ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন পুকুরে কচুরিপানা পরিষ্কার করা খুব জরুরী। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আবুবকর সরকার বলেন, এসিল্যান্ডকে বলব সরেজমিনে পুকুরটি দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।