৫ দফা দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকারি কর্মচারীদের বিক্ষোভ সমাবেশ

প্রকাশিত: ১:২৮ অপরাহ্ণ , ২৯ নভেম্বর ২০২৫, শনিবার , পোষ্ট করা হয়েছে 6 months আগে

জাতীয় বেতন কমিশনের প্রজ্ঞাপন জারি ও ৫ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে জেলা সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ।

বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে জেলা সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়।

তাদের দাবীগুলো হলো : আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় বেতন কমিশনের প্রজ্ঞাপন জারি ও ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে তা কার্যকর করা, টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল এবং শতভাগ পেনশন ব্যবস্থা চালু, সচিবালয়ের ন্যায় অভিন্ন ও একক নিয়োগবিধি প্রণয়ন এবং জাতীয় সার্ভিস কমিশন গঠন, আউটসোর্সিং নিয়োগ ব্যবস্থা বাতিল করে শূন্য পদে সরাসরি নিয়োগ এবং ন্যায্যমূল্যে মানসম্মত রেশন সরবরাহ, ব্লক পোস্টে পদোন্নতির সুযোগ সৃষ্টি ও আইএলও সনদ অনুযায়ী সকল সরকারি দপ্তরে ট্রেড ইউনিয়নের অধিকার নিশ্চিত করা।

সমাবেশে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সভাপতি মো. মনির হোসেনের সভাপতিত্বে এবং জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী হাফিজুল ইসলাম নাছুরের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা সাধারণ সম্পাদক আরশাদুল ইসলাম।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, কালেক্টরেট নন-গেজেট কর্মকর্তা-কর্মচারী সমিতির সভাপতি কামরুল ইসলাম ভূঁইয়া, সংগঠনের সহসভাপতি ইকবাল হোসেন সফিক ও আবু কাউছার, সরকারি কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের সভাপতি মো. আশরাফ আহমেদ, সমাজসেবা কর্মচারী সমিতির সভাপতি আব্দুল মান্নান, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট সমিতির সভাপতি জহিরুল ইসলাম, সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মচারী সভাপতি আমির হামজা, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কর্মচারী সভাপতি মো. মনির, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মচারী সভাপতি এবং জেলা কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি হাজী মো. আব্দুল্লাহ।

এছাড়াও বক্তব্য দেন সদর হাসপাতাল কর্মচারী সমিতির সভাপতি আব্দুল মোমেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মচারী সভাপতি মো. ইসমাইল, ১৭–২০ গ্রেড কর্মচারী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলামসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মচারী নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাপন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আরও কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়া হবে।