মো. তাসলিম উদ্দিন সরাইল(ব্রাহ্মণবাড়িয়া): জয়ধরকান্দি থেকে আসছিলাম ব্রাহ্মণ বাড়িয়া ডাক্তার দেখানোর জন্য। ডাক্তার দেখালাম চিকিৎসা পত্র নিয়ে যখন গেলাম দেখি সব ওষুধের দোকান বন্ধ। এমন করে বলছিলেন ৬০ বছরের বৃদ্ধা রহিমা, হাতে এক্সের'র একটি রিপোর্ট। গরমে ঘাম বেয়ে বেয়ে পড়ছে। তিনি বলতেছেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডাক্তার ওষুধ লেখলে আমাদের এলাকায় ওষুধগুলো পাওয়া যায় না।
এখন ওষুধ কিনতে কোথায় যাব। এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি মহিলা কলেজ মার্কেটের বরাদ্দকৃত বৈধ বাণিজ্যিক স্থাপনা অবৈধ বলে উচ্ছেদ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সকল ওষুধের দোকান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে ধর্মঘট পালন করছে ড্রাগিস্ট ও কেমিস্ট সমিতি। আজ সোমবার (২৭ অক্টোবর) ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের সামনে গেলে দেখাযায়, সকাল ৬টা থেকে এই কর্মসূচি পালন শুরু করেছে ব্যবসায়ীরা।
এতে শহরের সহস্রাধিক ওষুধের দোকান বন্ধ রয়েছে। ফলে দুর্ভোগে পড়ছে রোগী ও সাধারণ মানুষ। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর অভ্যন্তরে জেলা সদর হাসপাতালসহ শতাধিক বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে। যেখানে প্রতিদিন হাজার হাজার রোগী চিকিৎসা সেবা নিয়ে থাকে।
সোমবার সকাল থেকে শহর অভ্যন্তরে ফার্মেসিগুলো বন্ধ থাকায় রোগী ও তাদের স্বজনরা বিপাকে রয়েছেন। আরেক চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও স্বজনরা জানান, ডাক্তার দেখানোর পর চিকিৎসা শেষে ফার্মেসি ওষুধ কিনতে গেলে তারা সকল ফার্মেসি বন্ধ পান। কোনো ধরনের ওষুধই তারা কিনতে পারছেন না। এতে দুচিন্তায় পড়ে গেছেন সবাই।
ফলে শহরে বাইরে থেকে তাদের ওষুধ নিতে হচ্ছে। বিষয়টি তারা দ্রুত সমাধান চান। এদিকে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি মহিলা কলেজের সামনের অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করে নতুন গেট নির্মাণের দাবিতে কয়েকদিন যাবত বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা।
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ জহির রায়হান
প্রধান কার্যালয়ঃ ১০৭ মতিঝিল বা/এ, ৯ম তলা, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০
মোবাইলঃ 01713-733969, 01924-665561, ইমেইলঃ news@kalerbiborton.com
© কালের বিবর্তন ২০১৯ - ২০২৪ সর্বসত্ব সংরক্ষিত