“আমাকে হেয় করে বিএনপি’কে দাবানো যাবে না” আতিকুজ্জামান সনি

প্রকাশিত: ৯:৪৩ পূর্বাহ্ণ , ১ আগস্ট ২০২৫, শুক্রবার , পোষ্ট করা হয়েছে 10 months আগে
ছবি- কালের বিবর্তন।

মো.সাহিদুল ইসলাম শাহীনঃ- ১৯৯২–১৯৯৫: বেনাপোল ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি,১৯৯৮–২০০৩: বেনাপোল ইউনিয়ন যুবদলের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক, ২০১২–২০২১: তথ্য বিষয়ক সম্পাদক, বেনাপোল পৌর বিএনপি,২০২২: আহ্বায়ক কমিটির সদস্য, বেনাপোল পৌর বিএনপি এবং ২০২৫ সালে দলের সিদ্ধান্তে নির্বাচিত বেনাপোল পৌর বিএনপি’র বর্তমান সহ-সভাপতি, মো.আতিকুজ্জামান সনি বলেছেন-“আমাকে হেয় করে বিএনপি’কে দাবানো যাবে না”।

“বিগত দুঃসময়ে ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগের দমন-পীড়নেও আমি ছিলাম বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন সক্রিয় ও আদর্শনিষ্ঠ কর্মী”।

“আমি যখন বেনাপোল ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতি’র সভাপতি ছিলাম, তখন দায়িত্বের খাতিরেই আমাকে অনেক ব্যবসায়িক ও সামাজিক অনুষ্ঠানে যেতে হতো। বেনাপোল বন্দরে এমপি-মন্ত্রীদের আগমনে সংগঠনের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত থাকা ছিল দায়িত্বের অংশ। কিন্তু আজ কিছু কুচক্রী মহল সেই সময়কার কিছু ছবি বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে আমার রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে”।

“আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই:আমি কখনও আওয়ামী লীগে যোগ দেয়নি। কোনো আওয়ামী লীগ নেতার হয়ে মিছিল-মিটিং করিনি, ভোটও চাইনি, আমার বিরুদ্ধে এমন কোনো প্রমাণ কেউ দেখাতে পারবে না।

আমার পরিবারেরর সকল সদস্য জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী। আমার ছোট ভাই ছিলেন বেনাপোল ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের নেতা,আমার চাচা শাহাদত ছিলেন পুটখালী ইউনিয়ন বিএনপি’র দীর্ঘদিনের নেতৃত্বের মুখ”।

“আজ যারা ‘ফেক আইডি’ খুলে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে,তারা রাজনৈতিকভাবে হীনমন্য ও কাপুরুষ। আমি এসব ষড়যন্ত্রের তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং এগুলো অবিলম্বে বন্ধের দাবি জানাচ্ছি।

বিএনপি’র দুঃসময়ে আমার কর্মস্থল ‘দেশ ট্রাভেল’ অফিস থেকে বিএনপি’র অনেক গোপন বৈঠক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। অনেক ত্যাগী নেতাকর্মীকে আমি ব্যক্তিগতভাবে আর্থিক সহায়তা দিয়েছি,যা তারা অস্বীকার করতে পারবে না”।

“যারা আজ আমাদের দিকে আঙ্গুল তোলে, তারা আয়নায় তাকিয়ে নিজেদের অতীতটা একবার দেখুক। আমাদের বিশ্বাস, সত্যকে কখনো দমন করা যায় না। বাংলাদেশ জিন্দাবাদ,বিএনপি জিন্দাবাদ”।