• দেশজুড়ে প্রধান সংবাদ
  • কৈশোরবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের মানোন্নয়নে স্কোরকার্ড মূল্যায়ন ও অর্ধ-বার্ষিক মতবিনিময় সভা 

কৈশোরবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের মানোন্নয়নে স্কোরকার্ড মূল্যায়ন ও অর্ধ-বার্ষিক মতবিনিময় সভা 

প্রকাশিত: ১২:২৫ অপরাহ্ণ , ২৩ জুন ২০২৫, সোমবার , পোষ্ট করা হয়েছে 12 months আগে
ছবি- কালের বিবর্তন

কৈশোরবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের মানোন্নয়নে স্কোরকার্ড ব্যবহার ও ফলাফল মূল্যায়ন বিষয়ক অর্ধ-বার্ষিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৩ জুন ২০২৫ খ্রি.) সকালে জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভাটি বাস্তবায়ন করে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর কারিগরি সহায়তায় ও আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা সিডা’র অর্থায়নে পরিচালিত ‘ওয়াই মুভস’ প্রকল্পের অংশ হিসেবে জাবারাং কল্যাণ সমিতি।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ফারুক আবদুল্লাহ। বক্তব্যে তিনি জানান, নতুন ভবনের নির্মাণ কাজ এখনো সম্পন্ন না হওয়ায় কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা প্রদান ব্যাহত হচ্ছে।

তাছাড়া, প্রয়োজনীয় বরাদ্দ না থাকায় কিশোরীদের মাঝে স্যানিটারি প্যাড বিতরণ করা সম্ভব হয়নি বলেও উল্লেখ করেন। তিনি বিষয়টি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করার অনুরোধ জানান এবং এ সংক্রান্ত বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে বলে জানান।

সভায় সভাপতিত্ব করেন জাবারাং কল্যাণ সমিতির নির্বাহী পরিচালক মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি মা ও শিশু কেন্দ্রের হেমো ক্লিনিকের চিকিৎসক ডাঃ চৌধুরী শারমিন হায়দার, জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের ডিস্ট্রিক্ট ফ্যাসিলিটেটর উত্তম কুমার সরকার, জাবারাং-ওয়াই মুভস প্রকল্পের প্রোগ্রাম অফিসার দোলন দাশসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

সভায় প্রকল্পের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর বিনোদন ত্রিপুরা স্কোরকার্ড ব্যবহার ও ফলাফল মূল্যায়ন বিষয়ে পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপন করেন এবং পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।

‘ওয়াই মুভস’ প্রকল্পের তিনটি মূল লক্ষ্য রয়েছে। উদ্দেশ্য-১: ১০ থেকে ২৪ বছর বয়সী তরুণ-তরুণীরা যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার এবং শিশু সুরক্ষা বিষয়ে নেতৃত্ব দিতে সক্ষম হবে।
উদ্দেশ্য-২: জাতীয় ও জেলা পর্যায়ে যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা প্রশমনে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে শিশু ও যুব নেতৃত্বাধীন নেটওয়ার্কসহ সুশীল সমাজের সক্ষমতা ও অংশীদারিত্ব শক্তিশালীকরণ।
উদ্দেশ্য-৩:নীতি ও কর্মসূচির বাস্তবায়নে সেবাদানকারী কর্তৃপক্ষ ও সামাজিক নেতৃবৃন্দের কর্মতৎপরতা ও গঠনমূলক সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি বৃদ্ধি।

সভায় জানানো হয়, বিবাহিত কিশোরীদের মধ্যে ৪২.৮ শতাংশই জীবদ্দশায় শারীরিক বা যৌন সহিংসতার শিকার হন (বিবিএস ২০১৫)। দেশে বয়ঃসন্ধিকালীন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা অবিবাহিত কিশোর-কিশোরীদের প্রয়োজন মেটাতে পর্যাপ্ত নয়। এছাড়া, মোবাইল, ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাবে কিশোরীরা শারীরিক, মানসিক ও যৌন সহিংসতার ঝুঁকিতে রয়েছে।

সভায় জেলা এনসিটিএফ, পেরাছড়া এনসিটিএফসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।