
বোরো ধানের বাম্পার ফলন হলেও শেরপুরে হতাশার ছায়া কৃষকের মুখে। ধান পেকে যাওয়ায় সবাই একসাথে ধান কাটা শুরু করায় শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে। এক মণ ধানেও মিলছে না একজন শ্রমিক। ফলন ভালো হলেও মজুরির কারণে লেকসান গুণতে হতে পারে বলছেন কৃষকরা। কদিন আগেও শ্রমিকের মূল্য ছিল ৬শ থেকে ৭শ টাকা।
বর্তমানে মজুরি ৯শ থেকে ১ হাজার টাকা । এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে দুই বেলা খাবার ও এক কেজি চাউল। বর্তমান বাজারে এক মণ ধান বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ৮শ’ থেকে ৯শ টাকায়।
শেরপুর সদর উপজেলার কুমরী মুদিপাড়া গ্রামের সারোয়ার কবির বলেন, এবার ফলন ভালো হলেও মজুরি বেশি হওয়ায় লোকসান হতে পারে। ধান চাষে আমাদের উদ্বুদ্ধ করতে একটা ন্যায্য দাম নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে অনেকেই নিজের প্রয়োজনের বেশি ধান চাষ করবে না।
শেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন জানান, জেলায় এ বছর ৯১ হাজার ৯৪৯ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৭৭ হাজার ৪৫৭ মেট্রিক টন। এ পর্যন্ত ৭০ ভাগ ধান কর্তন করা হয়েছে। আশা করছি আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে।
ধানের দামের তুলনায় শ্রমিকের মজুরি কিছুটা বেশি। তিনি বলেন, শেরপুরে কম্বাইন্ড হারভেস্ট মেশিন পর্যাপ্ত নেই। যেসব এলাকায় এই মেশিন আছে, ওইখানে মজুরি অনেকটা কম। কম্বাইন্ড হারভেস্টারের মাধ্যমে এক একর জমির ধান কাটতে খরচ হয় ৭ হাজার টাকা।
কিন্তু শ্রমিকের মাধ্যমে এক একর জমির ধান কাটতে খরচ হয় প্রায় ১৭ হাজার টাকা। অন্যদিকে আমাদের দেশে জমিগুলো ছোটো হওয়া, ভিন্ন জাতের ধান একসাথে না পাকায় সব জায়গায় কম্বাইন্ড হারভেস্টার মেশিন ব্যবহার করা যাচ্ছে না।
মন্তব্য লিখুন
আরও খবর
কমলগঞ্জে চা পাতা তুলতে গিয়ে বজ্রপাতে ৫ নারী...
কমলগঞ্জে চা পাতা তুলতে গিয়ে বজ্রপাতে...
হাম ও উপসর্গে আরো ১৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত...
হাম ও উপসর্গে আরো ১৩ শিশুর...
সাদা পোশাকে মুগ্ধতা ছড়ালেন অপু বিশ্বাস
সাদা পোশাকে মুগ্ধতা ছড়ালেন অপু বিশ্বাস
চন্দ্রা এলাকার অর্ধশতাধিক বাস কাউন্টার বন্ধের নির্দেশ
চন্দ্রা এলাকার অর্ধশতাধিক বাস কাউন্টার বন্ধের...
যেকোনো ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবো : প্রধানমন্ত্রী
যেকোনো ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবো : প্রধানমন্ত্রী
শেরপুর সরকারি কলেজ থেকে মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ২৫...
শেরপুর সরকারি কলেজ থেকে মেডিকেল ও...