রফিক উল্লা পাটোয়ারী কে পূর্নরায় সভাপতি দেখতে চায় তৃনমুল 

প্রকাশিত: ৮:৩৯ অপরাহ্ণ , ২৬ মে ২০২৫, সোমবার , পোষ্ট করা হয়েছে 1 year আগে
ছবি- কালের বিবর্তন

মোঃ সুমন ভূঁইয়া,নোয়াখালীঃ নোয়াখালীতে বিএনপির সকল কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা,সোমবার (২৬ মে) দুপুরের দিকে জেলা শহর মাইজদীর চেন্নাই রেঁস্তোরায় আয়োজিত জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির প্রথম পরিচিতি সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। একই সাথে আগামী ৩ মাসের মধ্যে পূর্নরায় কমিটি ঘটনের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এতে করে পক্ষ বিপক্ষ তাদের পছন্দের নেতার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক, ইনস্টাগ্রামে স্ট্যাটাস চোখে পড়ার মত।

নোয়াখালী উপজেলার ১০ নং নরোত্তমপুরের স্থায়ী বাসিন্দা রফিক উল্লা পাটোয়ারী।  তার জম্ম ১৯৬৫ ইং সালে, শৈশব থেকে জাতীয়তাবাদী বিএনপির কর্মী ছিলেন। ১৯৮৪ ইং সালে ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন, এরপর ১৯৮৮ ইং সালে ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন, ২০০৪ ইং সালে ভোটের মাধ্যমে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন,   ২০২০ ইং সালে ও ভোটের মাধ্যমে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন,এবং উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি পদ পেয়ে থাকেন। ২০২০ ইং সালে নির্বাচিত হওয়ার পর ৯ টি ওয়ার্ডে ভোটাভোটির মাধ্যমে ওয়ার্ড কমিটি গুলো কোন ঝামেলা ছাড়া সফল ভাবে সম্পূর্ন করেন।

তিনি এরশাদ বিরোধী আন্দোলন ও ফ্যাসিবাদী আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে আন্দোলনে সচ্চার ভূমিকা পালন করেন। যার কারনে ২০১৭ ইং সালে ও ২০২৩ ইং সালে মোট ৩ টি বিস্ফোরক ও গাড়ী পোড়ানোর  মামলার আসামী হন, ২০২৩ ইং সালের মামলায় এখনো নিয়মিত হাজিরা দিতে হচ্ছে।

বিষ্ফোরক ও গাড়ী পোড়ানোর মামলা খেয়ে বাড়ী ছেড়ে পালিয়ে ছিলো দীর্ঘদিন।  বারবার পুলিশ বাড়ীতে হানা দিয়েছিলো, এক পর্যায়ে তাকে না পেয়ে ২০২৩ সালে তার ছেলে মাসুদ ও মাহফুজ কে পুলিশ ধরে নিয়ে যায়। দীর্ঘদিন জেল খাটার পর তারা মুক্তি পায়।

এই বিষয়ে আমাদের কালের বিবর্তনের নোয়াখালী প্রতিনিধি মোঃ সুমন ভূঁইয়া কে একান্ত সাক্ষাৎকালে রফিক উল্লা পাটোয়ারী  বলেন, প্রথমেই আমি কালের বিবর্তন অনলাইন প্রত্রিকাকে ধন্যবাদ জানাই, কারন তারা সব সময় সত্য সংবাদ প্রচার করে থাকেন।

এরপর তিনি বলেন, আমি গর্বিত আমি একজন জিয়ার সৈনিক,  জিয়ার আর্দশে আমি রাজনীতি করি, বহু মামলা, হামলা, হয়রানির স্বীকার হয়ে ও আন্দোলন সংগ্রামে অংশ নিয়েছি। আমি ফ্যাসিবাদী আওয়ামীলীগের আমলে মামলা হামলার স্বীকার ও মামলা হামলার স্বীকার  নেতা কর্মীদের বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করে পাশে থেকেছি।

সাধারণ জনগনের সুখ দুঃখে এগিয়ে গিয়েছি। বহু ত্যাগ স্বীকার করেছি জিয়ার আর্দশ বুকে নিয়ে। দলের তৃনমুলের চাওয়া অনুযায়ী  ইনশাআল্লাহ আগামী কমিটিতে আমি আবার সভাপতি পদপ্রার্থী হবো, যদি আমি ভাল কাজ করে থাকি তাহলে নেতা কর্মীরা আমাকে সঠিক মূল্যায়ন করবে।

আর যদি না ও করে তবুও আমি জিয়ার আদর্শে জাতীয়তাবাদী বিএনপির সমর্থক হয়ে সকল আন্দোলন সংগ্রাম ও সুখে দুখে নেতা কর্মীদের পাশে থাকবো।