বিএনপি নেতা হিলালীকে সংবর্ধনা জানাতে কেন্দুয়ায় আটপাড়ার হাজারো নেতাকর্মীর ঢল

প্রকাশিত: ৯:৫৭ অপরাহ্ণ , ২৩ মে ২০২৫, শুক্রবার , পোষ্ট করা হয়েছে 1 year আগে
ছবি- কালের বিবর্তন

মজিবুর রহমান :নেত্রকোনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও কেন্দ্রীয় বিএনপির বর্ষীয়ান নেতা আলহাজ্ব ড. রফিকুল ইসলাম হিলালীকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও সংবর্ধনা জানিয়েছেন আটপাড়া উপজেলা বিএনপির নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ হাজারো নেতাকর্মী।

শুক্রবার বিকেলে কেন্দুয়া জয়হরি স্প্রাই সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এই আয়োজনে মিলিত হয় নেতা-কর্মীর ঢল।

অনুষ্ঠানের আগে আটপাড়া উপজেলা বিএনপির নবনির্বাচিত সভাপতি মাছুম চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিকের নেতৃত্বে আট শতাধিক মোটরসাইকেলের বিশাল শোভাযাত্রা কেন্দুয়া পৌর শহর প্রদক্ষিণ করে। তাদের সঙ্গে ছিলেন সংবর্ধিত নেতা ড. হিলালী।

শোভাযাত্রাজুড়ে নেতাকর্মীদের মুখে ছিল প্রাণচঞ্চল স্লোগান—
“দুর্দিনের হিলালী ভাই, আমরা তোমায় ভুলি নাই”, “আটপাড়ার মাটি, হিলালী ভাইয়ের ঘাঁটি”, “হিলালী ভাই তুমি এগিয়ে চলো, আমরা আছি তোমার সাথে”।

শুভেচ্ছা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আবেগআপ্লুত হয়ে পড়েন দলের এই দুর্দিনের অভিভাবক। স্মৃতিচারণা করে তিনি বলেন,“আওয়ামী সরকারের দুঃশাসনের সময়ে আমরা রাজপথে থেকেছি, মামলা-হামলার ভয়ে পিছু হটিনি। আজ এই সম্মান পেয়ে আমি কৃতজ্ঞ।”

বিএনপির কেন্দ্রীয় এ নেতা ও নেত্রকোনা-৩ (কেন্দুয়া-আটপাড়া) আসনের বারবারের মনোনীত প্রার্থী হিলালী বলেন,“দলীয় নেতাকর্মীরা টাকার মোহে নয়, পরীক্ষিত নেতৃত্বের পক্ষেই রায় দিয়েছেন। এই আস্থা, ভালোবাসা ও সম্মান আমাকে ঋণী করেছে। ইনশাল্লাহ, অতীতের মতো আগামীতেও পরিবার-সংসারের বাইরে আপনাদের সঙ্গেই থাকবো।”

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দুয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান ভূঁইয়া মজনু, আটপাড়ার নবনির্বাচিত সভাপতি মাছুম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক, নেতা আতিক মীর্জা, সোনা মিয়া মাস্টার ও আনোয়ার হোসেন আনোয়ার।

উল্লেখ্য, গত ১৭ মে আটপাড়া উপজেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতি পদে দুইজন ও সাধারণ সম্পাদক পদে তিনজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। বিপুল ভোটে মাছুম চৌধুরী সভাপতি ও রফিকুল ইসলাম রফিক সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

দলীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্যে, এই বিজয় কেবল সংখ্যা নয়, এটি দলের প্রতি নিবেদিত, নির্যাতিত ও নিঃস্বার্থ নেতৃত্বের প্রতি গণসমর্থনের প্রমাণ। যারা বিগত সরকারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে মাঠে ছিলেন, তারাই আজ মূল্যায়িত হয়েছেন।