পলাশে নতুন পোশাকে পথ শিশুদের মুখে হাসি ফোটাচ্ছে ছাত্রদল

প্রকাশিত: ৬:৩৯ অপরাহ্ণ , ১৩ মার্চ ২০২৫, বৃহস্পতিবার , পোষ্ট করা হয়েছে 1 year আগে
ছবি- কালের বিবর্তন

আল-আমিন মিয়া,নরসিংদীঃ চলছে পবিত্র রমজান। চারিদিকে বাহারী ইফতার আয়োজন। শুরু হয়েছে ঈদের আমেজও। একটু ফুসরত পেলেই পরিবার ও প্রিয়জনদের জন্য কেনাকাটা করতে ব্যস্ত হচ্ছে সবাই। ঈদকে নিয়ে কতই প্রস্তুতি। যেন প্রতিযোগিতা শুরু হবে কে কত নতুন জামা কিনতে পারে।

বড়দের তুলনায় ছোট শিশুদের মাঝেই ঈদের আনন্দ বেশি। নতুন জামা ছাড়া ঈদই যেন চিন্তা করতে পারে না শিশুরা। কিন্তু আমাদের পাশেই রয়েছে এমন সব সুবিধা বঞ্চিত ছিন্নমুল শিশু যাদের কপালে জুটছে না একটি নতুন জামাও। অন্যান্য শিশুর মত তাদের মনে ঈদের আনন্দ নেই।

একটি জামার অভাবে কোমলমতি পথশিশুদের মন খারাপ থাকে পবিত্র ঈদের দিনেও। অথচ সবাই চাইলে এই ঈদে অন্তত কিছু সংখ্যক পথ শিশুদের আনন্দ দেওয়া যায়। তাদের মুখে হাসি ফোটানো যায়। সেই কোমলমতি পথশিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে খানিকটা প্রয়াস করছে নরসিংদীর পলাশ উপজেলা ও ঘোড়াশাল শহর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

যে যার অবস্থান থেকে শহরের অলিগলিতে ঘুরে এসব ভাগ্যহীন, পরিচয়হীন, পথকলি ও ছিন্নমূল বা পথশিশুদের মুখে একটু হাসি ফোটাতে নতুন পোশাক উপহার দিচ্ছেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

তারই অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলার ঘোড়াশাল পৌর এলাকার পলাশ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বেশ কয়েক জন পথশিশুদের হাতে নতুন পোশাক তুলে দেন ঘোড়াশাল শহর ছাত্রদলের সদস্য সচিব আরিফুল ইসলাম আরিফ। এতে ছাত্রদলের বিভিন্ন নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় জানতে চাইলে আরিফুল ইসলাম আরিফ বলেন, আমাদের দেশেও চারদিকে তাকালেই এ ধরনের শিশুর দেখা মেলে। রাস্তা, ফুটপাত যাদের ঠিকানা। বড়লোকের আহ্লাদে বড় হয়ে ওঠা শিশুদের পাশাপাশি এরাও বড় হয়।

অভাব যাদের জীবনে নিত্যসঙ্গী। খোলা আকাশ যাদের মাথার ওপর ছাদ হয়ে থাকে। জন্মের পরপরই তারা পৃথিবীর এক অন্যরকম চিত্র দেখতে দেখতে বড় হয়ে ওঠে।

এসব  ছিন্নমূল বা পথশিশুদের সাথে আসন্ন ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতেই পলাশ উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান পাপন ও ঘোড়াশাল শহর ছাত্রদলের আহ্বায়ক আমানুল্লাহ আমানের নির্দেশে ছাত্রদলের প্রতিটি ইউনিটের নেতাকর্মীরা এমন উদ্যোগ নিয়েছেন।