মোঃ আবু হানিফ, শেরপুরঃ শেরপুরে যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আচার-অনুষ্ঠান, আনন্দ-উৎসব এবং প্রার্থনার মধ্য দিয়ে বড়দিন উদযাপন করেছেন খ্রিষ্ট ধর্মানুসারীরা। ২৫ ডিসেম্বর বুধবার সকালে যিশুর মহিমাকীর্তনের মাধ্যমে শুরু হয় খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় এ উৎসবের।
জানা গেছে, শেরপুরের ঝিনাইগাতীর মরিয়মনগর, নালিতাবাড়ীর বারোমারী ধর্মপল্লীসহ শ্রীবরদী ও সদর উপজেলায় ৪৬টি গির্জায় নানা আচার-অনুষ্ঠান এবং প্রার্থনার মধ্য দিয়ে বড়দিন উদযাপিত হয়েছে। দিনটি উপলক্ষে গির্জাগুলো ফুল, নানা রঙের বেলুন, নকশা করা কাগজ ও জরি ব্যবহার করে সাজানো হয়েছে।
পাশাপাশি বড় দিন পালনে সেজেছে বাড়ি-ঘরও।খ্রিস্টধর্মাবলম্বীরা নিজেদের ও পরিবারের সদস্যদের জন্য কিনেছেন বাহারি রঙের পোশাক। বাড়িতে বাড়িতে তৈরী করা হয়েছে বিভিন্ন ধরনের খাবার।

রঙিন কাগজ, ফুল ও আলোক সজ্জায় সেজেছে গির্জা ঘর, ক্রিস্টমাস ট্রি এবং প্রতীকী গোশালা ঘর। প্রার্থনায় অংশ নিতে ভোরে গির্জায় সমবেত হন খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীরা। প্রার্থনায় যিশুর মহিমাকীর্তন এবং শান্তি ও ন্যায়ের কথা বলা হয়।
বারোমারী খ্রিস্টধর্মপল্লীর ফাদার তরুণ বনোয়ারী বলেন, গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকেই যিশুখ্রিস্টের জন্মোৎসব পর্বের মধ্য দিয়ে বড়দিনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। আর বুধবার সকাল ৯টায় পবিত্র খ্রিস্টযাগ অনুষ্ঠান পালিত হয়েছে।
পরে উপস্থিত ভক্তদের নিয়ে কেক কাটাসহ তাদের নিয়ে আসা পিঠাপুলি সবার মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া পুরো জেলায় শান্তিপূর্ণভাবে বড়দিন পালিত হচ্ছে। পুলিশ, বিজিবি, র্যাব ও সেনাবাহিনীর টিম টহল দিয়ে বড়দিনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।
শেরপুরের পুলিশ সুপার মো. আমিনুল ইসলাম জানান, আনন্দঘন পরিবেশে শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে খ্রিস্টধর্মাবলম্বীরা যাতে বড়দিন উদযাপন করতে পারে সেজন্য সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ জহির রায়হান
প্রধান কার্যালয়ঃ ১০৭ মতিঝিল বা/এ, ৯ম তলা, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০
মোবাইলঃ 01713-733969, 01924-665561, ইমেইলঃ news@kalerbiborton.com
© কালের বিবর্তন ২০১৯ - ২০২৪ সর্বসত্ব সংরক্ষিত