শেরপুর হাসপাতালে এক টেন্ডারেই সরকারের ক্ষতি প্রায় অর্ধকোটি, পূণঃটেন্ডারের দাবী

প্রকাশিত: ৫:৩৭ অপরাহ্ণ , ২৫ নভেম্বর ২০২৪, সোমবার , পোষ্ট করা হয়েছে 2 years আগে
ছবি- কালের বিবর্তন

মোঃ আবু হানিফ, শেরপুর: ঔষধ ক্রয়ের ঠিকাদার নিয়োগে দূর্নীতি, ঘুষ বানিজ্যে লোক নিয়োগসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে শেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের তত্তাবধায়ক ডাঃ সেলিম মিঞার বিরুদ্ধে।

ঠিকাদারদের অভিযোগ, সর্বনিম্ন দরদাতার পরিবর্তে অর্ধ কোটি টাকা বেশীতে পছন্দের ঠিকাদার নির্বাচন করা হয়। তাই, চলমান দরপত্র বাতিল করে স্বচ্ছতার সাথে দরপত্র আহবানের দাবী তাদের। এদিকে, যথাযথ ব্যবস্থা নিতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানোর আশ্বাস দিয়েছেন জেলা সিভিল সার্জন।

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট শেরপুর জেলা হাসপাতালের ঔষধ ও যন্ত্রপাতি ক্রয়ের দরপত্র জমা দেয়ার শেষ তারিখ ছিল গেল ৭ অক্টোবর। ৬ টি গ্রুপে আহবান করা দরপত্রে সকল নিয়ম মেনে ১২ টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়।

এতে সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠানকে নির্বাচন না করে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে কয়েকগুন বেশী দরদাতা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত করেন হাসপাতালের তত্তাবধায়ক ডাঃ সেলিম মিঞা। অধিক দরদাতা যোগ্য নির্বাচিত হওয়ায় ক্ষুব্ধ ক্ষতিগ্রস্থ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানগুলো। নতুন করে সচ্ছতার সাথে দরপত্র আহবানের দাবী তাদের।

ডাঃ সেলিম মিঞা চলতি বছরের জুলাইএ নিজ জেলায় তত্তাবধায়ক পদে যোগদানের পর থেকেই নানা অনিয়মের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। হরিজন সম্প্রদায়ের ১৪জনসহ ৬৩ জন আউটসোর্সিং কর্মচারীকে এক বছরের বেতন বকেয়া রেখেই বিনা নোটিশে চাকুরীচ্যুত করে নিয়নমনীতি না মেনে অর্থের বিনিময়ে স্বজনসহ নিজস্ব কয়েকজনকে নিয়োগ দেন। বকেয়া বেতনসহ চাকুরী ফেরত দেয়ার দাবী অনাহারে-অর্ধাহারে থাকা ভক্তভোগীদের।

এই তত্তাবধায়ক যোগদানের পর থেকে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষার যন্ত্রপাতি ইচ্ছাকৃত বন্ধ রেখেছেন, এমনটাই দাবী কর্তব্যরত হাসপাতালের মেডিকেল টেকনিশয়ানের।

ঠিকাদারদের তথ্যমতে, ঔষধ ও সরঞ্জাম ক্রয়ে পছন্দের ঠিকাদারকে নির্বাচন করলে সরকারের লোকসান হবে ৪৫লক্ষ ৩ হাজার ৭শ’ ৭৫ টাকা।