
মো.তাসলিম,উদ্দিন সরাইলঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিল্ডিং এর নির্মাণকাজ ৩ বছরেও শেষ হয়নি। দশ কোটি টাকা বরাদ্দের এ বিল্ডিং কাজ সম্পন্ন না করেই লাপাত্ত ঠিকাদার। ফলে গত ৩ বছর ধরে সীমাহীন ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন উপজেলা কয়েক লাখ মানুষ।
প্রকল্প ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের শুরু হওয়া ৩ তলা বিশিষ্ট বিল্ডিং কাজ দুবছরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কাজ ফেলে পালিয়ে যাওয়ায় ঝুলে গেছে প্রকল্পটি। এতে কয়েক লাখ মানুষের ভোগান্তির পাশাপাশি। চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম হেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ,ঠিকাদারের গাফিলতিতে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। দ্রুত বিল্ডিংটি নির্মাণ সম্পন্নের দাবি স্থানীয়দের।বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকায় সীমাহীন দুর্ভোগ পড়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিল্ডিং এর নির্মাণকাজ শেষ করে স্বাভাবিক চিকিৎসা সেবা দিতে দাবি তাদের।স্থানীয় বাসিন্দা জরিনা খাতুন (৫৫) বলেন,সেই ৩ বছর আগে শুরু হয়েছে এই কাম।
এতদিন সহ্য কইরি ছিলাম যে কাম শ্যাষ হলিই তো আবার সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু এখন দেখতেছি আমরার গলার কাঠা হয়ে গেছে।’ নোয়াগাঁও গ্রাম এলাকার বাসিন্দা কৃষক রব্বানী (৬০) বলেন,গা গ্রামের মানুষের কষ্ট দেখার কেউ নেই। ছোট্ট একটা জায়গায় রোগী ভর্তি এবং বিভিন্ন কাজ করা। বিল্ডিং টি দূরত্ব কাজ না হওয়ায় চিকিৎসা সেবা নিতে আসা কত কষ্ট হচ্ছে।
কষ্টডা তো আমরাই পাচ্ছি। সরাইল রিপোর্টার্স ইউনিটি সহ-সভাপতি মো. আরিফুল ইসলাম সুমন বলেন,এই পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার দায়িত্বহীনতার প্রমাণ থাকলে অবশ্যই তার জবাবদিহিতাসহ শাস্তি হওয়া উচিত। টেকসই উন্নয়ন বাস্তবায়নে অর্থ বরাদ্দ দেওয়ার পরও কেন এমন জনভোগান্তি হবে সে প্রশ্ন আমারও।
এ বিষয়ে সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্মকর্তা ডা.মো. নোমান মিয়া, বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নির্মাণকাজ কিছুদিন হয় বন্ধ। তবে ঠিকাদারের লোকজন কাজ ফেলে চলে গেছে।এ কাজের বরাদ্দ ছিল ১০ কোটি টাকা।বিল্ডিং এর কাজটি ফেলে যাওয়ার কারণে চিকিৎসা সেবা দিতে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।
আমরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথে এ বিষয়ে আলাপ করেছি এবং বর্তমান অবস্থা জানিয়েছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে বিল্ডিং এর কাজ শেষ হলে। এই এলাকার মানুষের চিকিৎসা সেবায় আরো গুরুত্ব ভূমিকা রাখবে।
তিনি ১৮ মাসের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা ছিল। সেই সময় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সহ সকলকে আমরা বিষয়টি জানিয়েছিলাম।
মন্তব্য লিখুন
আরও খবর
নোয়াখালী জেলা পুলিশের মাষ্টার প্যারেড ও কিট প্যারেড...
নোয়াখালী জেলা পুলিশের মাষ্টার প্যারেড ও...
ইবিতে চাকরি হারালেন ২৬৮ কর্মচারী
ইবিতে চাকরি হারালেন ২৬৮ কর্মচারী
ইরান যুদ্ধ বন্ধ ও ইসরাইল সহায়তা কমানোর প্রস্তাব...
ইরান যুদ্ধ বন্ধ ও ইসরাইল সহায়তা...
গাজার চিকিৎসক অ্যাডাম হামাউয়ি যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে নির্বাচিত
গাজার চিকিৎসক অ্যাডাম হামাউয়ি যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে...
রাজৈরে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক
রাজৈরে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ, স্বামী...
ফতুল্লায় শ্রমিক আন্দোলন শান্ত, পুলিশ-বিজিবি সতর্ক
ফতুল্লায় শ্রমিক আন্দোলন শান্ত, পুলিশ-বিজিবি সতর্ক