মানুষ আর অমানুষ দেখতে এক রকম’!!আমার নাম ও ছবি ব্যবহার করে ফেক আইডি

প্রকাশিত: ৫:৪১ অপরাহ্ণ , ২৬ আগস্ট ২০২৪, সোমবার , পোষ্ট করা হয়েছে 2 years আগে
ছবি- কালের বিবর্তন

আপনাদের অবগতির জন্য বলছি।আমার নাম ওছবি দিয়ে দুষ্কৃতিকারীরা সমাজের অমানুষ প্রকৃতি হীনমন মানসিকতার অমানুষ রূপে। ভয়ংকর এক অমানুষ আমার নাম ও ছবি দিয়ে ফেসবুক আইডি খুলে বিভ্রান্তি চড়াচ্ছে।তারা আর যাই হোক মানুষ না অমানুষ।তাদের বিষয়ে আজ তুলে ধরলাম। আমার প্রাণপ্রিয় ছাত্রছাত্রীদের ব্যাপারে।

যে কথা ফেক আইডিতে লিখেছে সেজন্য আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।এবং সরাইল থানায় জিডি করব। আমার প্রিয় শিক্ষার্থীরা আপনারা আমার অরজিনাল আইডিটা এবং ফেক আইডিটা যাচাই করেন।আপনাদের শিক্ষার যোগ্যতা দিয়ে এটা দেখবেন।আমি আপনাদের প্রতি আবেদন জানাচ্ছি।

আপনারা এ অমানুষের বিরুদ্ধে আপনারা সুব্যবস্থা নিবেন। আমার ফেসবুক চালানোর জীবনে আমি কোন সম্প্রদায় বা কোন মানুষ নিয়ে কোনো উচ্চবাচ্য লেখা লেখি না।আমাদেরকে আমাদের মা-বাবা এই শিক্ষা দেইনি।আজ মানুষ ওঅমানুষ নিয়ে কিছু লেখলাম।মানুষকে মহান স্রষ্টা সৃষ্টির সেরা হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। তাদের সৃষ্টি নিয়ে নানা কথা।

স্রষ্টার যতগুলো সৃষ্টি আছে তার মধ্যে মানুষ ও জিন ভিন্ন প্রকৃতির। মানুষ দৃশ্যমান কিন্তু জিনরা দৃশ্যমান নয়। মানুষকে পৃথিবীতে পাঠানোর প্রায় এক লাখ পঞ্চাশ হাজার বছর আগে জিনদের এখানে পাঠায়। তারা হেন কর্ম-অপকর্ম নেই যা তারা করেনি। ফলে বিভিন্ন সময়ে তাদের গজব দিয়ে শেষ ধ্বংস কিন্তু নিপাত করেনি। মানুষ সৃষ্টিকালে ফেরেস্তারা বাধা দিয়েছিল।

কিন্তু মহান স্রষ্টা কোনো বাধা তিনি মানেননি। মানুষ স্রষ্টার অনেক আদর ও আহ্লাদের। মানুষ ও জিন ছাড়া অন্য কোনো সৃষ্টি অন্যায় বা অপকর্ম করতে পারে না। তাদের সে যোগ্যতা স্রষ্টা দেননি। এই দুই সৃষ্টিকে জ্ঞান-বুদ্ধি দিয়েছেন এবং তারা তা ন্যায় অন্যায় কাজে তা প্রয়োগ করতে পারে। জিনরা যেহেতু অদৃশ্য তাই তাদের কথা এখানে আলোচনার প্রয়োজন নেই।

আমাদের মধ্যে মানুষ ও অমানুষ বলে দু’টি শব্দ আছে। আসলে অমানুষ বলে স্রষ্টা কোনো প্রাণী সৃষ্টি করেনি। কর্ম দোষে মানুষকে অমানুষ বলে গালি দেয়া হয়। অমানুষ মূলত একটি গালি। যিনি লিখেছেন দুঃখ করে বলেছেন- ‘মানুষ আর অমানুষ দেখতে এক রকম’। কর্ম দোষের এ রকম নানা শব্দ আমাদের সমাজে প্রচলন আছে। যেমন ‘মীর জাফর’ এখন একটি গালি।

নবাব সিরাজুদ্দৌলার প্রধান সেনাপতি মীর জাফর আলী খান তার সাথে বেঈমানি করায় ওই নামটি এখন গালিতে পরিণত হয়েছে। এটা তার কর্মের ফল। এখন কোনো মীর বংশের ছেলে সন্তানের নাম মীর জাফর রাখতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে না মানুষ।মানুষকে মহান স্রষ্টা বহু মর্যাদা দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। মানুষ এখানে স্রষ্টার প্রতিনিধি।

এই প্রতিনিধি শুধু মানুষের নয় গোটা সৃষ্টি জগতে স্রষ্টার প্রতিনিধি। কিন্তু আমরা তা আজ ভুলে গেছি। দুনিয়ার সামান্য স্বার্থের বিনিময় আমরা হেন কর্ম নেই যা করতে পারি না বা করছি না। মানুষ কি মনে করেছে যে, এভাবে চলতে থাকবে অথচ কোনো প্রতিকার হবে না? একদিন প্রতিটি সূক্ষ্ম কর্মের হিসেব নেয়া হবে।

কোনোটাতে ছাড় দেয়া হবে না।পবিত্র কুরআনের সূরা ঝিলঝালের ৭-৮ আয়াতে বলা হয়েছে ‘অতঃপর অণু পরিমাণ ভালো কাজ মানুষ দেখতে পাবে আর অণু পরিমাণ খারাপ কাজ তাও তারা দেখতে পাবে। আল্লাহ সবাইকে মানুষ করার তৌফিক দান করুক আমিন।।