ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর বিরুদ্ধে ইউপি চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত: ৭:৪৮ অপরাহ্ণ , ৩০ এপ্রিল ২০২৪, মঙ্গলবার , পোষ্ট করা হয়েছে 2 years আগে
ছবি- কালের বিবর্তন

নওগাঁর ধামইরহাটে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী সোহেল রানা নির্বাচনী প্রচারণার সময় আড়ানগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নেশাখোর ও একজন মাদক ব্যবসায়ী বলে গালিগালাজ করার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।

বিকেলে উপজেলার আড়ানগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আড়ানগর ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোসাদ্দেকুর রহমান এলাকাবাসী ও সংবাদ কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনটি করেন। এবং এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা নির্বাচন কমিশন বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে গণমাধ্যম কর্মীদের জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান মোসাদ্দেকুর রহমান বলেন, ‘গত বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী সোহেল রানা আড়ানগর ইউনিয়নের বর্থা বাজার এলাকায় দেলুয়ার হোটেলের সামনে নির্বাচনী প্রচারণার সময় তার রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে হ্যান্ড মাইকে আমাকে নেশাখোর ও একজন মাদক ব্যবসায়ী বলে গালিগালাজ করে। বিষয়টি আমার এবং এলাকাবাসীর দৃষ্টিগোচর হলে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানানো হয়।

চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘নির্বাচনী আচরণবিধিমালা অনুযায়ী একজন জনপ্রতিনিধির (চেয়ারম্যান) বিরুদ্ধে মিথ্যা ভিত্তিহীন অপপ্রচার করে জনগণের মধ্যে বিরুপ ভাবমূর্তি সৃষ্টিসহ আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করায় ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী সোহেল রানার বিরুদ্ধে দন্ডবিধির ৫০০ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করছি।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বড়থা বাজার এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা হেদায়েতুল ইসলামের ছেলে ও প্রত্যক্ষদর্শী হারুনুর রশিদ বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা করতে গিয়ে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী সোহেল রানা আড়ানগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নেশাখোর ও মাদক ব্যবসায়ী বলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত।

অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল রানা বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণার সময় আড়ানগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোসাদ্দেকুর রহমান আমাকে গালিগালাজ করলে আমিও তাকে গালিগালাজ করেছি।’

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা খাতুন বলেন, ‘গতকাল সোমবার বিকেলে অভিযোগের বিষয়ে জানতে পেরেছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।