• জাতীয় জীবনযাপন
  • আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে শার্শা টেংরার আলমগীরের বসতঘর বিধ্বস্থ,সরকারি সহায়তার আকুতি

আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে শার্শা টেংরার আলমগীরের বসতঘর বিধ্বস্থ,সরকারি সহায়তার আকুতি

প্রকাশিত: ২:১৬ অপরাহ্ণ , ১৮ মার্চ ২০২৪, সোমবার , পোষ্ট করা হয়েছে 2 years আগে
ছবি- কালের বিবর্তন

শুক্রবার(১৫ মার্চ) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে যশোর জেলার শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়নাধীন টেংরা গ্রামের আলমগীর(৪৮) নামের এক দিনমুজুরের কাঁচা বসতঘর বিধ্বস্থ হয়ে সম্পূর্ণ ভাবে মাটির সাথে মিশে গেছে। ১০-১৫ মিনিটের এ ঘূর্ণিঝড়ে ঐ গ্রামের অনেক ঘরবাড়ি,গাছপালা ভেঙ্গে পড়ে। বসতভিটা হারিয়ে আলমগীর তার পরিবার নিয়ে খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছে। আলমগীর পেশায় একজন দিনমজুর,বসতঘরটি পূণঃ নির্মাণে কোন টাকা-পয়সা তার নেই। স্থানীয়রা বলছে সরকারী সহায়তা তার একান্ত প্রয়োজন।

দূর্ঘটনাস্থল ঘুরে দেখা গেছে,টেংরা গ্রামের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া আকস্মিক ঐ ঘূর্ণিঝড়ে বাঁশঝাড়,গাছপালা ও টিনের আঘাতে অনেক নারী-পুরুষ আহত হয়,বসতঘর,রান্নাঘর,গোয়ালঘর বিধ্বস্থ হয়।

ক্ষতিগ্রস্তদের বেশির ভাগই কৃষক ও দিনমজুর। এ ক্ষেত্রে আলমগীরও একজন দিনমজুর সরকারি সহযোগিতা ছাড়া তার পক্ষে বসতঘর সংস্কার করা সম্ভব নয়। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আলমগীর ও তার স্ত্রী আদরী খাতুন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও প্রতিবেশিরা জানান,গত শুক্রবার আনুমানিক রাত সাড়ে ১০টার দিকে একটি ঘূর্ণিঝড়ে আলমগীরের দোচালা টালির ছাউনী ও টিনের বেড়া যুক্ত ঘর ভেঙ্গে পড়ে। এতে তারা সর্বশান্ত হয়ে পড়ে,ঘটনার দিন থেকে তারা খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছে। হতদরিদ্র এই পরিবারের পাশে যদি সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে এসে একটু সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিত তাহলে পরিবারটি উপকৃত হতো।

পরিবারটির রান্না করে খাওয়ার মত কোন হাড়ি পাতিল ও নেই, এখন তারা অন্যের বাড়ির বারান্দায় আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে।

টেংরা গ্রামের ইউপি সদস্য বলেন,আলমগীর একজন দিনমজুর দিন আনে দিন খায়,এই মুহুর্তে তার ঘর মেরামত করার মত কোন সামর্থ নেই,সরকারি ভাবে তাকে সহায়তা করলে তার বসতভিটা সংস্কার করা সম্ভব।

ঘুর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ আলমগীর ও তার স্ত্রী এই প্রতিবেদককে জানান- “আমাদের টিন-বাঁশসহ নির্মাণ সামগ্রী দরকার কিন্তু টাকা নেই। আমরা এখন খোলা আকাশের নিচে দিন পার করছি।

মাননীয় সাংসদ শেখ আফিল উদ্দিন এবং শার্শা নির্বাহী অফিসারের নিকট আমাদের আকুল আবেদন,আমাদের বিধ্বস্থ বসতঘরটি সংস্কার পূর্বক আমাদেরকে বেঁচে থাকার সুযোগ করে দিবেন”।