
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুহিলপুর গরুর বাজারে অবৈধভাবে নির্মিত দোকান ভাঙতে শুরু করেছেন দখলকারিরা। -অবশেষে প্রশাসনের নির্দেশে সোমবার সকাল ১০টা থেকে অবৈধ দখলকারিরা নিজ উদ্যোগে তাদের নির্মিত স্থাপনা ভাঙ্গা শুরু করেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সদর উপজেলার সুহিলপুর গরুর বাজারের সরকারি জমি ইজারা না নিয়ে দোকান নির্মাণ করে তা মোটা অঙ্কের টাকায় বিক্রি শুরু করেন স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র। এতে বাজার সংকুচিত হয়ে পড়ে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে দখল সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের পর টনক নড়ে প্রশাসনের। রোববার (১২ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলা প্রশাসন সুহিলপুর গরুর বাজারের নির্মিত দোকানগুলো পরিদর্শন করে এবং নিজ উদ্যোগে এটি অপসারণের নির্দেশ প্রদান করে। সেই নির্দেশক্রমেই অবৈধ দখলকারিরা নির্মিত স্থাপনা ভাঙা শুরু করেছে।
স্থানীয় ব্যক্তিরা জানান, চারজন জনপ্রতিনিধির আত্মীয় স্বজন ও তার ঘনিষ্ঠজনেরা এর সাথে জড়িত। প্রায় দেড় মাস ধরে দোকান নির্মাণের এই কাজ চললেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। এ ঘটনায় গত ২২ জানুয়ারি সুহিলপুর গ্রামের আরিফুল হক চৌধুরী, আবদুল ছোবান, মোঃ কামাল ও শামীম জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের (রাজস্ব) কাছে লিখিত অভিযোগ দেন।
গতকাল সোমবার সরেজমিনে দেখা গেছে, সুহিলপুর গরুর বাজারের উত্তর ও পূর্বদিকে সরকারি খাস জায়গা ইজারা ছাড়াই নির্মাণ করা দোকানের চারপাশের দেয়াল ভেঙে ইট সরানোর কাজ চলছে। সুহিলপুর গ্রামের শাহিন মিয়া নামে এক রাজমিস্ত্রীর শ্রমিকদের এক সর্দার দোকান ভাঙার কাজে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
স্থানীয় ইয়াছিন মিয়া নামের একজন তাকে অবৈধ স্থাপনা ভাঙার জন্য বলেছেন। অবৈধ স্থাপনার সামনে ইটগুলো স্তুপ করে রাখা হয়েছে। তবে ছয়টি দোকানের পশ্চিমদিকে দুটি শৌচাগার নির্মাণ করা হয়েছে। সুহিলপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা তোফাজ্জাল হোসেন কাজটি তদারকি করছেন।
এ ব্যাপারে শাহিন মিয়া বলেন, সবগুলো দোকানের স্থাপনার (দেয়ালের ইট) ইট-সিমেন্ট ভাঙ্গা হবে। বাজারের উত্তর-পশ্চিমদিকে নির্মাণ করা ছয়টি দোকান এবং উত্তর-পূর্ব দিকের একটি দোকানের স্থাপনা ভাঙ্গা হবে।
এ ব্যাপারে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ সেলিম শেখ সাংবাদিকদের জানান, গত রোববার সকালে সদর উপজেলার সুহিলপুর গরুর বাজার পরিদর্শন করি। ইজারা না পেয়েও যারা দোকান নির্মাণ করেছেন, তারা নিজ উদ্যোগে স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার জন্য প্রতিজ্ঞা করে একদিনের সময় চেয়েছে। তাই তাদের একদিনের সময় দেয়া হয়েছে। জায়গাটি কাউকে ইজারা দেয়া হয়নি। তাই এখানে দোকান ঘর করার কোনো সুযোগ নেই। যদি তারা নিজ উদ্যোগে স্থাপনা না সরান তাহলে আমরা অভিযান চালিয়ে স্থাপনা উচ্ছেদ করব।
মন্তব্য লিখুন
আরও খবর
কমলগঞ্জে চা পাতা তুলতে গিয়ে বজ্রপাতে ৫ নারী...
কমলগঞ্জে চা পাতা তুলতে গিয়ে বজ্রপাতে...
হাম ও উপসর্গে আরো ১৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত...
হাম ও উপসর্গে আরো ১৩ শিশুর...
সাদা পোশাকে মুগ্ধতা ছড়ালেন অপু বিশ্বাস
সাদা পোশাকে মুগ্ধতা ছড়ালেন অপু বিশ্বাস
চন্দ্রা এলাকার অর্ধশতাধিক বাস কাউন্টার বন্ধের নির্দেশ
চন্দ্রা এলাকার অর্ধশতাধিক বাস কাউন্টার বন্ধের...
যেকোনো ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবো : প্রধানমন্ত্রী
যেকোনো ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবো : প্রধানমন্ত্রী
শেরপুর সরকারি কলেজ থেকে মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ২৫...
শেরপুর সরকারি কলেজ থেকে মেডিকেল ও...