নৌকার নির্বাচনী কার্যালয়ে মহিলা লীগ নেত্রীকে মারধর

প্রকাশিত: ৫:০৮ অপরাহ্ণ , ২০ ডিসেম্বর ২০২৩, বুধবার , পোষ্ট করা হয়েছে 2 years আগে

মারধরের শিকার মহিলা লীগ নেত্রী নুরন্নাহার (রাতেরজন) ও অভিযুক্ত সাভার উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এবং ঢাকা জেলা মহিলা লীগের সভাপতি ইয়াসমিন চৌধুরি সুমি।

সাভারে নৌকার প্রচারণায় অংশ নিতে গিয়ে অন্যদলের কাজ করছেন অপবাদ তুলে এক মহিলা লীগ নেত্রীকে মারধর ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার রাতে পৌরসভার তালবাগ এলাকায় ঢাকা-১৯ আসনে আওয়ামী লীগের নৌকার প্রার্থী ডা. এনামুর রহমানের নির্বাচনী অফিসের সামনে এই ঘটনা ঘটে।

এঘটনার সময় মোবাইলে ধারণকৃত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সাভার উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা মহিলা লীগের সভাপতি ইয়াসমিন চৌধুরি সুমি তার দলীয় একই কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক নুরন্নাহার আক্তার আলোকে মারধর করছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রত্যক্ষদর্শী যুব মহিলা লীগের নেত্রীরা জানান, আমরা ঢাকা থেকে এনাম সাহেবের নৌকার প্রচারণায় এসেছি। সারাদিন সাভারের বিভিন্ন এলাকায় নৌকার লিফলেট বিতরণ করেছি। এর আগে উঠান বৈঠক করে নৌকার প্রচারণার চালিয়েছি। কিন্তু গতকাল প্রচারণা শেষে এনাম ভাইয়ের নির্বাচমী অফিসের সামনে আসলে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা মহিলা লীগের সভাপতি ইয়াসমিন চৌধুরি সুৃমি আমাদের সাথে উদ্যতপূর্ণ আচরণ করেন। আমরা অন্য দলের কাজ করছি এমন মিথ্যা অপবাদ তুলে আমাদের সাথো অসদাচরণ করেন। এসময় আমাদের সাধারণ সম্পাদককেও মারধর করতে তেরে যান ভাইস চেয়ারম্যান সুমি। পরে ঢাকা জেলা মহিলা লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক নুরন্নাহার আক্তার আলোকে লাঞ্ছিত ও ধস্তাধস্তি করেন। আমরা এঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই।

অভিযোগকারী ঢাকা জেলা মহিলা লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক নুরন্নাহার আক্তার আলো বলেন, আমাকে অকারণে মারধর করে আহত করেছেন ভাইস চেয়ারম্যান সুমি। ওনার মাথা ঠিক নাই। আমি এটার বিচার চাই, অভিযোগ করব।

সাভার উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা মহিলা লীগের সভাপতি ইয়াসমিন চৌধুরি সুমি বলেন, ওই সময় আমাকে প্রকাশ্যে গালিগালাজ করলে আমি রেগে গিয়েছিলাম। নির্বাচন আসলেই রাজনৈতিক ভাবে নেতাকর্মীরা একজন আরেকজনের উপর কাদা ছোরাছুরি ও প্রতিহিংসামূলক হয়ে ওঠে। এরই শিকার হয়েছি আমি। আমার হাত ধরেই তারা রাজনীতিতে এসেছে। অথচ তারা আজকে আমার সম্মান ক্ষুন্ন করার জন্য এরকম আচরণ করছে।

এ বিষয়ে মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শবনম জাহান শিলাকে একাধিকবার ফোন করেও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।