
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য ঝিনাইগাতী উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন এসএম আব্দুল্লাহেল ওয়ারেজ নাঈম।
স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদ নির্বাচন করতে বুধবার দুপুরে তারপক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার তিনি মনোনয়নপত্র জমা দিবেন বলে জানিয়েছেন।
বুধবার স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে পদত্যাগের পত্রটি দেওয়া হয়। যার অনুলিপি ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছেও পাঠানো হয়েছে।

একবারের নির্বাচিত এই উপজেলা চেয়ারম্যান বলেন, ঝিনাইগাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হয়েও আমি বারবার দলীয় মনোনয়ন চেয়েও পায়নি। ফলে এবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দলীয় মনোনয়নের পাশাপাশি স্বতন্ত্র নির্বাচন করার অনুমতি প্রধান করেছেন। তাই আমি এ সুযোগ গ্রহণ করেছি। তাই আমি আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে নেত্রীর কাছে এ আসনটি তুলে দিতে চাই।
শেরপুর-৩ সংসদীয় ১৪৫ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) দুই উপজেলা নিয়ে গঠিত আসনে এবার নৌকার মনোনয়ন পেয়েছেন এডিএম শহিদুল ইসলাম। এ আসনে টানা ১৫ বছর ধরে ক্ষমতায় ছিলেন নৌকার মনোনীত প্রার্থী একেএম ফজলুল হক চাঁন। এবার শ্রীবরদী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এডিএম শহিদুল ইসলামকে দেয়া হয় নৌকার টিকেট।
তিনি শ্রীবরদী উপজেলার খড়িয়া কাজিরচর ইউনিয়নের মাদারপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম সিরাজুল ইসলামের ছেলে। তিনি উপজেলার খড়িয়া কাজিরচর ইউনিয়নের টানা দুই দফায় চেয়ারম্যান ছিলেন। ২০১৯ সালে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে শ্রীবরদী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। বর্তমানে শ্রীবরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শ্রীবরদী উপজেলা চেয়ারম্যান এডিএম শহিদুল ইসলামের বাইরে বিদায়ী সংসদ সদস্য প্রকৌশলী একেএম ফজলুল হক চাঁন, ঝিনাইগাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম আব্দুল্লাহেল ওয়ারেজ নাইম, প্রয়াত সংসদ সদস্য এমএ বারীর পুত্র মোহসিনুল বারী রুমি, যুক্তরাজ্য প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা এইচএম ইকবাল হুসাইন অন্তর এবং শ্রীবরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মিজানুর রহমান রাজাসহ দলের ৫ নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।
আর জাতীয় পার্টি থেকে মনোনীত প্রার্থী মো. সিরাজুল হক। এদল থেকে মনোনয়ন বঞ্চিত জেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী মো. ইকবাল আহসান ও মো. মুফাজ্জল হক নামে আরও দুজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। আলোচিত এ আসনে ২০ জন প্রার্থী আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন। এ পর্যন্ত মোট মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন ৯ জন।
২৯ নভেম্বর সন্ধ্যায় জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে ওই তথ্য জানা গেছে।
মন্তব্য লিখুন
আরও খবর
কমলগঞ্জে চা পাতা তুলতে গিয়ে বজ্রপাতে ৫ নারী...
কমলগঞ্জে চা পাতা তুলতে গিয়ে বজ্রপাতে...
হাম ও উপসর্গে আরো ১৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত...
হাম ও উপসর্গে আরো ১৩ শিশুর...
সাদা পোশাকে মুগ্ধতা ছড়ালেন অপু বিশ্বাস
সাদা পোশাকে মুগ্ধতা ছড়ালেন অপু বিশ্বাস
চন্দ্রা এলাকার অর্ধশতাধিক বাস কাউন্টার বন্ধের নির্দেশ
চন্দ্রা এলাকার অর্ধশতাধিক বাস কাউন্টার বন্ধের...
যেকোনো ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবো : প্রধানমন্ত্রী
যেকোনো ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবো : প্রধানমন্ত্রী
শেরপুর সরকারি কলেজ থেকে মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ২৫...
শেরপুর সরকারি কলেজ থেকে মেডিকেল ও...