
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নওগাঁর ছয়টি আসনে নৌকার মাঝি হিসেবে মনোনয়নের জন্য ৪৫জন দলীয় মনোনয়ন চেয়েছেন। এত মনোনয়ন প্রত্যাশীর মধ্যে আসন ছয়টিতে কোন ছয় ব্যক্তি হচ্ছেন নৌকার মাঝি তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা-কল্পনা। আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এক সময়ের বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত নওগাঁর ছয়টি আসনেই আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য রয়েছেন। বর্তমান সংসদ সদস্যদের বিরুদ্ধে জেলার প্রত্যেকটি আসনে একাধিক প্রার্থী জোট বেঁধেছেন। প্রত্যেকটি আসনে একাধিক প্রার্থী নৌকার মাঝি হতে চেয়ে দলীয় মনোনয়ন ফরম কিনেছেন। প্রতিটি আসনে গড়ে সাতটি করে মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছে। শেষ মূহূর্তে দলীয় টিকিট নিশ্চিত করার আশায় জোর তৎপরতা চালাচ্ছেন মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতারা।
খাদ্যমন্ত্রীর আসনে এক জোট দলের তিন নেতা: নওগাঁ-১ (নিয়ামতপুর, পোরশা ও সাপাহার) আসনে পর পর তিন মেয়াদে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। এত দিন আসনটিতে তাঁর শক্ত প্রতিদ্ব›দ্বী হিসেবে তেমন কেউ ছিলেন না। তবে এবার তাঁর বিরুদ্ধে দলটির তিন নেতা জোট বেঁধেছেন। দীর্ঘদিন ধরেই খাদ্যমন্ত্রীর শক্ত প্রতিদ্ব›দ্বী হিসেবে দল থেকে ‘টিকিট’ পাওয়ার আশায় ওই তিন নেতা তৎপর রয়েছেন। তফসিল ঘোষণার পর নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে চেয়ে দলের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমা দিয়েছেন তাঁরা।
খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার ছাড়াও দলীয় মনোনয়ন ফরম জমা দেওয়া অপর তিন ব্যক্তি হলেন, নিয়ামতপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি খালেকুজ্জামান তোতা, জেলা বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সদস্য ও পোরশা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মকবুল হোসেন ও নিয়ামতপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য রেজাউল ইসলাম (রানা)।
নওগাঁ-১ আসন থেকে ২০০৮ সালে বিএনপির প্রার্থী ছালেক চৌধুরীকে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন সাধন চন্দ্র মজুমদার। আর ২০১৪ সালে বিনাপ্রতিদ্ব›িদ্বতায় দ্বিতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৯ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমানকে পরাজিত করে তৃতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন সাধন চন্দ্র মজুমদার। এরপর থেকেই স্থানীয় আধিপত্য নিয়ে আওয়ামী লীগের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি হয়। খাদ্যমন্ত্রীর একক আধিপত্যের কারণে দলে কোনঠাসা হয়ে পড়া নেতাকর্মীরা এবার নতুন মুখ দেখতে চান।
স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বলছেন, খাদ্যমন্ত্রীর আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চাওয়া আওয়ামী লীগ নেতা খালেকুজ্জামান তোতা, রেজাউল ইসলাম ও মকবুল হোসেন দীর্ঘ দিন ধরেই সংসদবিরোধী পক্ষের নেতৃত্ব দিচ্ছেন । নিজেদের মধ্যে দলীয় মনোনয়ন ধরে রাখতে তাঁরা তিনজনই দলীয় মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন। তিনজনের মধ্যে যে ‘নৌকার টিকিট’ পাবেন তাঁর পক্ষেই কাছ করবেন তাঁরা। তবে খাদ্যমন্ত্রী আবারও মনোনয়ন পেলে তাঁদের মধ্যে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে পারেন।
নওগাঁ-২ (পত্নীতলা ও ধামইরহাট) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছয়জন: এই আসন থেকে ১৯৯১ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে বিএনপির প্রার্থীকে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন বর্তমান সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের আইন, বিচার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি শহীদুজ্জামান সরকার (বাবলু)। এরপর ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীর কাছে হেরে যান তিনি। ২০০৮ সাল থেকে তিনি টানা তৃতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য রয়েছেন। এ আসনে দুই উপজেলাতেই আওয়ামী লীগের কোন্দল রয়েছে। আগামী নির্বাচনে এ আসন থেকে শহীদুজ্জামান সরকার ছাড়াও আরও পাঁচজন নৌকা প্রতীক চান।
তাঁদের অন্তত দুইজন প্রভাবশালী নেতা। শহীদুজ্জামান সরকার ছাড়াও মনোনয়ন ফরম জমা দেওয়া অপর পাঁচ ব্যক্তি হলেন, পত্নীতলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক, জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য প্রকৌশলী আকতারুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আইয়ুব হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড কেন্দ্রেীয় কমিটির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ রেজা মেহেদী ও জেলা তাঁতীলীগের সহ-সভাপতি ওবাইদুল ইসলাম।
দলীয় নেতাকর্মী সূত্রে জানা যায়, শহীদুজ্জামান সরকার চারবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য হলেও নওগাঁ-২ আসন থেকে এবার তাঁর পক্ষে ‘নৌকার টিকিট’ পাওয়া খুব সহজ হবে না। কারণ সংসদীয় আসনের দুই উপজেলাতেই দলের ভেতরে সংসদ সদস্যবিরোধী বলয় গড়ে উঠেছে। এর নেতৃত্বে আছেন আওয়ামী লীগ নেতা আকতারুল ইসলাম ও আমিনুল হক। ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আকতারুল ইসলাম ও আমিনুল হকের আওয়ামী লীগের মনোনয়র পাওয়ার ব্যাপারে জোর গুঞ্জন ছিল। দলের মধ্যকার বিভেদের কারণে এবার নতুন কেউ ‘নৌকার টিকিট’ পেতে পারেন বলে মনে করছেন দলটির ¯’ানীয় অনেক নেতাকর্মী।
নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর ও বদলগাছী) আসনে নৌকার মাঝি বাবা-ছেলেসহ সাবেক দুই সচিব: নওগাঁ-৩ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী অর্ধডজন। এই আসন থেকে মনোনয়নের আশায় দলীয় মনোনয়ন ফরম জমা দেওয়া ছয় ব্যক্তির মধ্যে সরকারের সাবেক দুই সচিব রয়েছেন। তাঁরা হলেন সরকারের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব এনামুল কবির (মঞ্জু) ও সরকারের পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সাবেক সিনিয়র সচিব সৌরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। এই আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী অন্য দুইজন হলেন, আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত আকরাম হোসেন চৌধুরীর স্ত্রী মাহফুজা আকরাম চৌধুরী (মায়া) ও বদলগাছী উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলী সদস্য প্রকৌশলী মাহবুবুল হক মান্নাফ (শুভ)।
এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ছলিম উদ্দিন তরফদার। তিনি মহাদেবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য। ২০১৪ সাল থেকে তিনি আসনটিতে আওয়ামীল লীগের সংসদ সদস্য হিসেবে রয়েছেন। মনোনয়ন ফরম তুলেছেন তার ছেলে তার ছেলে সাকলাইন মাহমুদ রকিও। ২০০৮ সালে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন নওগাঁ-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক ডেপুটি স্পিকার প্রয়াত আখতার হামিদ সিদ্দিকীকে পরাজিত করে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত আকরাম হোসেন চৌধুরী।
২০১৪ সালের ‘একতরফা’ নির্বাচনে আবারও তিনি দল থেকে মনোনয়ন পান। ওই নির্বাচনে তাঁর বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগ নেতা ছলিম উদ্দিন তরফদার। দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচন করায় তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। তবে ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে তাঁকে আবারও আওয়ামী লীগে নেওয়া হয় এবং দলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে তিনি এমপি নির্বাচিত হন।
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন যুদ্ধে ছলিম উদ্দিন তরফদারের সবচেয়ে শক্ত প্রতিদ্ব›দ্বী হিসেবে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সচিব সৌরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীকে মনে করছেন দলের ¯’ানীয় নেতাকর্মীরা। এছাড়া আরেক সচিব এনামুল কবিরেও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে।
নওগাঁ-৪ (মান্দা) আসনে বাবা-ছেলেসহ মনোনয়নপ্রত্যাশী ১২ জন: নওগাঁ-৪ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন ওই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য এবং সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী ইমাজ উদ্দিন প্রামানিক। একই আসন থেকে নির্বাচন করার লক্ষ্যে দলীয় মনোনয়ন ফরম কিনেছেন তাঁর ছেলে শাফায়াত জামিল (সৌরভ)। স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বলছেন, নিজেদের মধ্যে দলীয় মনোনয়ন ধরে রাখার কৌশল হিসেবে বাবা-ছেলে দুজনেই দলীয় মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন।
জেলার ছয়টি নির্বাচনী আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী জট বেঁধেছে এই আসনেই। আসনটিতে আওয়ামী লীগের দুই ডজন নেতা দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশী। বর্তমান সংসদ সদস্য এবং সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক ও তাঁর ছেলে ছাড়াও আরও ১০ জন মনোনয়নের আশায় দলীয় মনোনয়ন ফরম কিনেছেন।
আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী ওই ১০ ব্যক্তি হলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক ব্রহানী সুলতান গামা, জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল্লাহেল বাকী, মান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাজিম উদ্দিন মÐল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাহিদ মোর্শেদ (বাবু), উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য আব্দুল মান্নান ও আব্দুল লতিফ শেখ, মান্দা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এমদাদুল হক মোল্লা, আওয়ামী লীগ নেতা সুলতান রায়হান, আফজাল হোসেন ও আবুল কালাম আজাদ।
এই আসন থেকে ছয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য এবং সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক। তাঁর বয়স বর্তমানে ৮৪ । বয়সের কারণে ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিকের পক্ষে এবার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়া খুব সহজ হবে না বলে মনে করছেন দলটির ¯’ানীয় নেতাকর্মীরা। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান এই নেতাকে বয়সের কারণে এবার দল থেকে মনোনয়ন দেওয়া হবে না এমন ধারণা থেকে আওয়ামী লীগের স্থানীয় অনেক নেতা মনোনয়নের আশায় দীর্ঘ দিন ধরে তৎপর রয়েছেন। এমন সমীকরণে নিজেদের মধ্যে মনোনয়ন ধরে রাখার কৌশল হিসেবে সংসদ সদস্য ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক ও তাঁর ছেলে শাফায়াত জামিল (সৌরভ)।
নওগাঁ-৫ (নওগাঁ সদর) আসনে নৌকার মাঝি হতে চান ছয় জন: এই আসন থেকে আওয়ামী লীগ মনোনয়ন চান দলটির অর্ধডজন নেতা। মনোনয়নের আশায় বর্তমান সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন জলিল (জন) ছাড়াও স্থানীয় আওয়ামী লীগের আরও পাঁচ নেতা দলীয় মনোনয়ন কিনেছেন। তাঁরা হলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল মালেক, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও নওগাঁ সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাহীন মনোয়ারা হক, নওগাঁ পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি দেওয়ান ছেকার আহমেদ শিষান ও জেলা যুবলীগের সভাপতি খোদাদদ খান (পিটু)।
২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দল থেকে মনোনয়ন পেয়ে বিএনপির প্রার্থী জাহিদুল ইসলামকে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রয়াত আব্দুল জলিলের ছেলে নিজাম উদ্দিন জলিল জন। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে আধিপত্য নিয়ে দলের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি হয়। এই আসনে দলের মধ্যে সংসদ সদস্য বিরোধী একটি শক্তিশালী বলয় দাঁড়িয়ে আছে। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মালেককে এবারের মনোনয়ন যুদ্ধে নিজাম উদ্দিন জলিলের শক্তিশালী প্রতিদ্ব›দ্বী হিসেবে মনে করছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
নওগাঁ-৬ (রাণীগনর ও আত্রাই) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ১০ জন: সাবেক সংসদ সদস্য ইসরাফিল আলমের মৃত্যুর পর ২০২০ সালে উপনির্বাচনে এই আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন রাণীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন হেলাল। এবারও তিনি আওয়ামী লীগ থেকে দলীয় মনোনয়ন চেয়েছেন। আনোয়ার হোসেন ছাড়াও আসনটি দলীয় মনোনয়ন চেয়ে আরও নয়জন দলীয় চেয়েছেন।
তাঁরা হলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত ইসরাফিল আলমের স্ত্রী সুলতানা পারভীন বিউটি, নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ওমর ফারুক সুমন, রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নওশের আলী, রাণীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জিএম মাসুদ রানা ও ইউনুছ আলী প্রামাণিক, আত্রাই উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক নাহিদ ইসলাম বিপ্লব, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল আরিফ রাঙ্গা, জাহেদুল হক ও মতিউর রহমান।
এবার মনোনয়ন যুদ্ধে বর্তমান সংসদ সদস্য আনোয়ার হোসেনের শক্ত প্রতিদ্ব›দ্বী হিসেবে আওয়ামী লীগ নেতা সুলতানা পারভীন বিউটি ও ওমর ফারুক সুমনকে শক্ত হিসেবে প্রতিদ্ব›দ্বী হিসেবে মনে করছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
মন্তব্য লিখুন
আরও খবর
কমলগঞ্জে চা পাতা তুলতে গিয়ে বজ্রপাতে ৫ নারী...
কমলগঞ্জে চা পাতা তুলতে গিয়ে বজ্রপাতে...
হাম ও উপসর্গে আরো ১৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত...
হাম ও উপসর্গে আরো ১৩ শিশুর...
সাদা পোশাকে মুগ্ধতা ছড়ালেন অপু বিশ্বাস
সাদা পোশাকে মুগ্ধতা ছড়ালেন অপু বিশ্বাস
চন্দ্রা এলাকার অর্ধশতাধিক বাস কাউন্টার বন্ধের নির্দেশ
চন্দ্রা এলাকার অর্ধশতাধিক বাস কাউন্টার বন্ধের...
যেকোনো ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবো : প্রধানমন্ত্রী
যেকোনো ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবো : প্রধানমন্ত্রী
শেরপুর সরকারি কলেজ থেকে মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ২৫...
শেরপুর সরকারি কলেজ থেকে মেডিকেল ও...