• আন্তর্জাতিক জীবনযাপন
  • সারাহ গিলবার্ট-এর ‘ভ্যাক্সিন চ্যাডক্স-১’ কে ‘সুপার ভ্যাক্সিন চ্যাডক্স-১’ বলা হচ্ছে কেন?

সারাহ গিলবার্ট-এর ‘ভ্যাক্সিন চ্যাডক্স-১’ কে ‘সুপার ভ্যাক্সিন চ্যাডক্স-১’ বলা হচ্ছে কেন?

প্রকাশিত: ১১:৩৫ অপরাহ্ণ , ২৫ এপ্রিল ২০২০, শনিবার , পোষ্ট করা হয়েছে 3 months আগে

ভাইরাস প্রতিরোধক কার্যকরী নাম ভ্যাক্সিন। ভ্যাক্সিন আবিষ্কার করে অনেক বিজ্ঞানী মানুষকে মৃত্যুপথ থেকে বাচিঁয়ে আসছে।

অন্যান্য ভ্যাক্সিন আবিষ্কার হওয়ার পরে বাজারে আসতে এক থেকে দেড় বছর সময় লেগেছিল। কিন্তু, করোনা ভাইরাস নির্মূলের জন্য সারাহ গিলবার্ট-এর আবিষ্কৃত এই ভ্যাক্সিনটি খুব দ্রুত কাজ করবে এবং খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বাজারে আসবে। ফলশ্রুতিতে সারাহ গিলবার্ট-এর ভ্যাক্সিনের নামের সাথে “সুপার” শব্দটি যুক্ত করা হয়েছে।

সারাহ গিলবার্ট-এর সুপার ভ্যাক্সিন চ্যাডক্স-১ এর বৈশিষ্ট্যঃ

১) ভ্যাক্সিনটি কাজ করবে কি-না সেটা মাত্র ত্রিশ দিনের মধ্যেই জানা যাবে। অন্য ভ্যাক্সিন গুলো শরীরে ঢুকানোর পর এন্টিবডি তৈরী হতে দীর্ঘদিন লাগতো কিন্তু এই ভ্যাক্সিনটি খুব দ্রুত শরীরে এন্টিবডি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করবে। তখন এন্টিবডি তৈরী হওয়া শরীরে করোনা ভাইরাস ঢুকিয়ে কয়েকদিনের মধ্যেই ভ্যাক্সিনের কার্যকারিতা যাচাই করা যাবে।

২) কার্যকরী প্রমাণিত হওয়ার পর মাত্র ১২০দিনের মধ্যেই টীকাটি বাজারে চলে আসবে।

৩) গবেষণাগারেই চিকিৎসক বিজ্ঞানী’রা নিশ্চিত হয়েছেন যে, এই টীকা করোনার বিরুদ্ধে কাজ করবে।

৩) গবেষক দল এই ভ্যাকসিন নিয়ে এতোটাই আশাবাদী যে তাঁরা ইতিমধ্যে প্রডাকশন-এ যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন।

৪) পাঁচ/ছয়টি দেশ এই ভ্যাকসিন তৈরির অনুমতি পেয়েছে। তার মধ্যে আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতও আছে।

পৃথিবীবাসী এখন নিশ্চিত যে, চিকিৎসা বিজ্ঞান আবারও লক্ষ-কোটি মানুষের মৃত্যু রুখে দিতে যাচ্ছে। যার পুরো অবদান সারা গিলবার্ট ও তাঁর গবেষক দলের।

করোনা ভাইরাস পৃথিবীবাসীকে প্রেমহীন করেছিলো। সারাহ গিলবার্ট প্রেমহীন পৃথিবীর বুকে আবারও প্রেমের বীজ বপন করতে চলেছেন। সারাহ গিলবার্ট আবারও পৃথিবীবাসীর হৃদয় “সুপার ভ্যাক্সিন চ্যাডক্স-১” নামক গোলাপের সুবাসে সিক্ত করতে চলেছেন।

এই ভ্যাক্সিন ঠিকঠাক কাজ করলে করোনা প্রতিরোধ সময়ের ব্যাপার হয়ে উঠবে। দেখা যাক আল্লাহ্ কতটুকু সহায় হন।

মন্তব্য লিখুন

আরও খবর