সরাইলে লকডাউন বাস্তবায়নে দ্বিতীয় দিনেও মাঠে নেমেছে প্রশাসন

প্রকাশিত: ১২:৪৮ অপরাহ্ণ , ৩ জুলাই ২০২১, শনিবার , পোষ্ট করা হয়েছে 3 weeks আগে

মো. তাসলিম উদ্দিন সরাইল( ব্রাহ্মণবাড়িয়া)

সরকারি নির্দেশ মোতাবেক সারাদেশে চলছে কঠোর লকডাউন । করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সর্বাত্মক কঠোর বিধিনিষেধের দ্বিতীয় দিনেও মাঠে নেমেছে ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহিনী, পুলিশ, আনসারসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। কঠোরভাবে বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন তারা। তবে এর মধ্যেও প্রয়োজনে -অপ্রয়োজনে অনেককে ঘর থেকে বের হতে দেখা গেছে। অনেককেই স্বাস্থ্যবিধি মানতে দেখা যায়নি।
লকডাউন বাস্তবায়নে সরাইল উপজেলা মোড়ে মোড়ে চেকপোস্ট বসিয়েছে সরাইল থানা পুলিশ। মোড়ে বসানো এসব চেকপোস্ট কাজ করছে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে। এমন অবস্থায় সড়কে যানবাহন নেই বললেই চলে।
শুক্রবার (২ জুলাই) লকডাউনের দ্বিতীয় দিন সকাল থেকে উপজেলার প্রবেশদ্বার কুট্রাপাড়া, সরাইল ফায়ার সার্ভিসের সামনে, কালিকচ্ছ বাজার সড়কসহ উপজেলা গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বসানো হয়েছে পুলিশের চেকপোস্ট। জনগুরুত্বপূর্ণ কিছু পরিবহন ছাড়া আর কোনো যানবাহন চলতে দেওয়া হচ্ছে না। এতে রাস্তাঘাটে কমেছে মানুষের আনাগোনা, অনেকটা ফাঁকা অবস্থা। প্রয়োজন ছাড়া কোনো যানবাহন বা ব্যক্তিকে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় চলাচল করতে দেওয়া হচ্ছে না। এতে কেউ কেউ হেঁটেই রওনা দেন গন্তব্যে।এদিকে আছে সরাইলে সেনাবাহিনী টহল। চলছে সচেতনতামূলক প্রচারণা। সেই সাথে সরাইল উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। সব মিলে লকডাউনের দ্বিতীয় দিনেও চলছে কড়াকড়ি অবস্থান। এদিকে সরাইল উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণ নিশ্চিত করতে বৃহস্পতিবার লকডাউনের প্রথম দিনে উপজেলায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এক সাথে কাজ করেছেন। এসব ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে ১২ টি মামলা ও ১৬হাজার ১’শ টাকা জরিমানা করা হয়।
সরাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো.আরিফুল হক মৃদুল বলেন, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে দোকান খোলা রাখা, মাস্ক পরিধান না করে অকারণে ঘুরাঘুরি করাই ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১৭-জনকে জরিমানা করা হয়েছে। তিনি এসময় আরো বলেন, করোনা ভাইরাস থেকে মানুষকে মুক্ত রাখতে জনস্বার্থে এ অভিযান চলবে।

মন্তব্য লিখুন

আরও খবর