• শীর্ষ সংবাদ সারাদেশ
  • মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কমেছে সাধারণ রোগী, এমপি’র পক্ষে পিপিই ও সরঞ্জামাদি প্রদান

মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কমেছে সাধারণ রোগী, এমপি’র পক্ষে পিপিই ও সরঞ্জামাদি প্রদান

প্রকাশিত: ৬:১২ অপরাহ্ণ , ৩০ মার্চ ২০২০, সোমবার , পোষ্ট করা হয়েছে 4 years আগে

এম কে আই জাবেদ, মুরাদনগর (কুমিল্লা): কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক ও নার্স আছে আগের মতই তবে আগের মত চাপ নেই রোগীদের। করোনা ভাইরাস বিষয়ে গণসচেতনতা শুরু হওয়া পর থেকেই কমে গেছে সাধারণ রোগীদের সংখ্যা।

হাসপাতাল সূত্রে জানাযায়, আগে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫শত রোগী বর্হিবিভাগে নানা রোগে চিকিৎসা সেবা নিতে আসতেন। কিন্তু বর্তমানে এখন মাত্র ৫০-৭০ জনেরর মত আসেন। ভর্তিকৃত রোগীর সংখ্যাও কমে গেছে। প্রায় অনেক শয্যা খালি পরে থাকতে দেখা যায়।

হাসপাতালের একজন চিকিৎসকের সাথে কথা বলে জানাযায়, করোনা ভাইরাসের কারনে রোগীর সাধারণ রোগীরা হসপিটালে আসতে চায় না। তবে বড় কোন সমস্যা নিয়ে রোগীরা আসছেন। বিশেষ করে লক ডাউনের ফলে বিশেষ প্রয়োজন ছারা মানুষ বাসা থেকে বের হচ্ছে না বলেই রোগীর সংখ্যা কম হতে পারে বলে জানান। তবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও নার্স নিয়মীত উপস্থিত রয়েছেন।

চিকিৎসকদের সুরক্ষার লক্ষে স্থানীয় সংসদ সদস্য ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুনের পক্ষ থেকে
রোববার সন্ধ্যায় ২ সেট পিপিই, ২০টি প্রটেকটিভ মাস্ক, ৩৫০টি সার্জিক্যাল মাস্ক স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মুহাম্মদ নাজমুল আলমের হাতে তুলে দেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানাযায়, মুরাদনগর উপজেলায় প্রায় ৫শতাধিক প্রবাসীকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছিল। ইতিমধ্যে অনেকের ১৪ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর তাদের মধ্যে করোনার কোন উপসর্গ না পাওযায় ছারপত্র দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে হোম কোয়ারেন্টিনে ১৭৬ জন আছেন। হাসপাতালের বিশেষ ভাবে ৫(পাঁচ) শয্যার বিশিষ্ট আইসোলেশন ইউনিট প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার অভিষেক দাশ বলেন, মুরাদনগর উপজেলায় এখনো কারো মাঝে করোনার লক্ষন পাওয়া যায়নি। করোনা প্রতিরোধে স্বাস্থ্য বিভাগ , পুলিশ বিভাগ এবং উপজেলা প্রশাসন সবার্ত্বক সচেতনা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।