ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হাসপাতালের ভিতরে শব্দ দুষণ করে গান বাজনা, আতশবাজি ফুটিয়ে উল্লাস

প্রকাশিত: ৬:০৪ অপরাহ্ণ , ১ জানুয়ারি ২০২০, বুধবার , পোষ্ট করা হয়েছে 5 years আগে

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশে শব্দ দুষণ এটা নতুন কিছু নয়! তবে এই শব্দ দুষণ বন্ধে প্রতিনিয়তই জোরালো প্রতিবাদ জানিয়ে আসছেন সচেতন মহল ও সুশীল সমাজের ব্যাক্তিবর্গরা। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এই শব্দ দুষণের বিরুদ্ধে মাঝেমধ্যে অভিযান চালাতে দেখা গেছে। এতেই বা কি লাভ হয়েছে? শব্দ দুষণ চলছে তো চলছেই। তার চলার রথের রশ্মি কেউ ধরে রাখতে পারছেনা।

তবে এবার হাসপাতালের মূল ফটকে গান, বাজনা, আতশবাজি ফুটিয়ে শব্দ দুষণের জানান দিয়েছেন ঔষধ কোম্পানি ‘হেলথ কেয়ার’।

গতকাল মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) রাতে বছরের শেষ দিন (থার্টি ফাস্ট নাইট) উদযাপন করতে রোগীদের দুর্ভোগ সৃষ্টি করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে হাসপাতালের ভেতরে ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট ও পিঠা উৎসবের আয়োজন করেন ঔষধ কোম্পানি হেলথকেয়ার। এতে অংশগ্রহণ করেন হাসপাতালের চিকিৎসকরা।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডাঃ শাহ আলম, বিএমএ নেতা ডা: আবু সাঈদ ও হাসপাতালের তত্বাবধায়ক শওকত হোসেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।

এ সময় হাসপাতাল কম্পাউন্ডে আতশবাজি ফুটিয়ে উল্লাস করা হয় এবং গান বাজনা করতে বহিঃবিভাগের গেটের সিঁড়িতেই স্টেজ বানানো হয়। এতে বাদ্যযন্ত্রের বিকট শব্দে চরম দুর্ভোগের শিকার হয় হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীরা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডা: শাহ আলম কালের বিবর্তনকে জানান, পিঠা উৎসব ও একটা ব্যাটবিন্টন টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমি অংশগ্রহণ করেছিলাম। গান বাজনার বিষয়ে আমি কিছুই জানতাম না। গান বাজনার বিষয়ে অভিযোগ এলে ৩টি গান পাওয়ার পরপরই এসব বন্ধ করে দেই।

অথচ, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা-২০০৬ অনুযায়ী, নীরব এলাকা হিসেবে হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত বা একই জাতীয় অন্য প্রতিষ্ঠান এবং এর চারিদিকে ১০০ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকাকে বোঝানো হয়েছে ‘নীরব এলাকা’।

মন্তব্য লিখুন

আরও খবর