পলাশবাড়ীতে চালের কার্ড করে দেওয়ায় কথা বলে চৌকিদার নিলো ২ হাজার

প্রকাশিত: ১:২৪ অপরাহ্ণ , ২৭ জুন ২০২০, শনিবার , পোষ্ট করা হয়েছে 3 months আগে

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: দরিদ্র একটি পরিবারের বসবাস গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী পৌর এলাকার হরিনবাড়ী গ্রামে। এ গ্রামের বাসিন্দা রেহেনা বেগম ও তার স্বামী হোসেন আলী। তার পেশায় দুজনেই হোটেল শ্রমিক। শ্রমজীবী পরিবারটির সংসারে একটু সহায়ক হওয়ায় আশায় সাবেক সদর ইউনিয়ন ও বর্তমান পৌরসভার গ্রাম পুলিশ (চৌকিদার) দেলবার হোসেন চালের কার্ড করে দেওয়ায় কথা বলে গত ২ বছর আগে ২ হাজার টাকা দেয় রেহেনা বেগম। সেই হতে আজ নয় কাল, কাল নয় পরশু হবে হবে করে আজ প্রায় ২ বছর পেরিয়ে যাচ্ছে। এসেছে করোনা মহামারি এরমধ্যে সরকারের সুবিধা অনেকে পরিবার পেলেও অসহায় পরিবারটি কপালে মেলেনি কোন প্রকার সরকারি সহায়তা।

এমতবস্থায় অসহায় পরিবারটি চৌকিদার দেলবারের কাছে বার বার গিয়ে পায়নি তাদের দেওয়া টাকা বা করোনা সময়ে সরকারি কোন সুযোগ সুবিধা। নিরুপায় হয়ে অবশেষে রেহেনা বেগম দারস্থ হয় সাংবাদিকের নিকট। এরপর রেহেনা বেগমের কাছে শোনা যায় , গত ২ বছর আগে দেলবার চৌকিদার চালের কার্ড করে দেওয়ায় কথা বলে ২ হাজার টাকা নিয়েছে। আজ পর্যন্ত টাকাও পায় নাই আর পাই নাই কোন কার্ড বা সরকারি কোন সুযোগ সুবিধা। করোনা কালেও পায়নি একটু সরকারি সুযোগ সুবিধা।

এরপর এবিষয়ে পৌর এলাকার হরিনবাড়ী ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ (চৌকিদার) দেলবারের নিকট জানতে চাইলে তিনি ২ হাজার টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেন এবং আগামী মাসের ২ তারিখে টাকা ফেরত দেওয়ার কথা জানান। তবে তিনি বলেন কার্ড নয় অন্য বিষয়ে টাকাটা নিয়েছি আবার ফেরত দিবো।

এদিকে স্থানীয়ারা জানান, সরকারি এসব সুবিধা যার টাকা আছে আর যে কিনতে পারে সেই পায়। ইউনিয়ন বা পৌরসভার এসব কর্মচারীরাও আজকাল পরিষদের সদস্যদের চাইতেও বেশী ক্ষমতা তাদের হাতে টাকা দিলেই কেবল মিলে যে কোন সরকারি সুযোগ সুবিধা। এস্থান গুলোতে শীর্ষ পর্যায়ে যারা আছেন তারাও যদিও বা জানেন তবুও তারা চুপ করে থাকেন এতে আমাদের মনে হয় তাদের কালেকশন ম্যান হিসাবে এসব কর্মচারীরাই রয়েছেন মাঠে।

মন্তব্য লিখুন

আরও খবর