ত্রিশাল আওয়ামীলীগে নিবেদিত এক নক্ষত্র- নবী নেওয়াজ সরকার

প্রকাশিত: ৩:৫৯ অপরাহ্ণ , ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার , পোষ্ট করা হয়েছে 4 years আগে

এনামুল হকঃ অনেক গুনীজন রয়েছেন যারা নিজের সারা জীবন উৎসর্গ করেছেনজনকল্যাণের পথে যাদের লক্ষ্যই হচ্ছে জনগণের উন্নয়নে সেবাধর্মীকাজ করা।তারই একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত নবী নেওয়াজ সরকার 

অতীতেও তার পূর্ব পুরুষগণ  জনগণের কল্যানেই কাজ করেছেন

মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ত্রিশাল উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মরহুম জৈমত আলীমাষ্টারের নাতী রামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতিমরহুম মাহতাব উদ্দিন সরকারের সুযোগ্য সন্তান আলহাজ্ব নবীনেওয়াজ সরকার।১৯৫৯ সালের রামপুর ইউনিয়ন বর্তমান পৌরসভার৯নং ওয়ার্ডে সম্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন

জন্মসূত্রে আওয়ামী পরিবারের সন্তান হওয়ায় মুজিব আদর্শ তাঁর শিরায়শিরায়।অর্থনৈতিক সচ্ছল পরিবারের সন্তান হিসেবে অভাব বুঝতে নাপারা লোকটি বাড়ি গাড়ী টাকা কড়ির মোহ কোনদিনই ছিলোনা,াদাসিধে জীবন যাপনে অভ্যস্ত সবসময় প্রতিটি কর্মকান্ড এলাকার জনগণের কল্যানে নিবেদিত।যেকোনজনকল্যানমূলক কর্মকান্ডে থাকেন সর্বাজ্ঞে এলাকার অসহায় গরীবমানুষের সহায়তায় তিনি সব সময়ই উদার।সাধ্যনুযায়ী চেষ্টা করেনপাশে দাড়াতে।অনেকেই তাকে মানবতার ফেরিওয়ালা

একমাত্র জনতৃপ্তিতেই তৃপ্ত তিনি, যিনি ত্রিশাল উপজেলায় নতুনআলোয় রুপায়ন করতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেনদল দলের প্রতিক নৌকার প্রতি তার রয়েছে অকুন্ঠ ভালবাসা রয়েছেদলীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি অগাধ আস্থা

নৌকা দলের প্রতি বাড়তি ভালবাসার কারণে বিএনপি জামায়াতের  ষড়যন্ত্রের শিকারও হতে হয়েছে তারপরেও থেমে নেই তার চলারগতি সংসদ নির্বাচনে  নৌকার ভোট চাইতে নিজ দায়িত্বে ছুটে চলেনঘরে ঘরে তিনি নৌকার তথা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ অনুসারী একঅকোতভয় সৈনিক। দলের জন্য  িজের সবকিছু ত্যাগ করলেও বিনিময়ে উল্লেখ যোগ্য  কিছু না পাওয়া ত্যাগী এই নেতাকে সঠিক মূল্যায়নের দাবী তৃনমূল নেতাকর্মীদের। তার মেধাবী কর্মকান্ডে উপজেলার সমাজ,সভ্যতা,শিক্ষাওসাহিত্য,ক্রীড়া,সংস্কৃতির উন্নয়ন সহঅবহেলিত মানুষের কল্যানে কাজ করার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ  বাস্তবায়নে দিনরাত শ্রম দিচ্ছেন নেতা

নবী নেওয়াজ সরকার নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন সমাজের সর্বাঙ্গে

ছাত্রজীবন থেকেই শুরু পথচলা

১৯৭৭ সালে থানা ছাত্রলীগের সাংগঠনি সম্পাদক,১৯৯৬ যুবলীগেরভাইস প্রেসিডেন্ট,

১৯৯১ উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক,১৯৯৬উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি ২০০১সালেউপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য, ২০০৩ সালেসম্মানিত সদস্য,২০১২সালে উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ককমিটিতে সম্মানিত সদস্য,২০০৪ ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামীলীগেরযুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।১৯৯২ সাল থেকে পরপর দুই বার ৫নংরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বটি  সুনামের সাথে  পরিচালনা করেন।১৯৮৭ সালে ত্রিশাল উপজেলাক্রীড়া সংস্থার নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ময়মনসিংহ জেলাকমিটিতে সম্মানিত সদস্য ছিলেন।তিনি প্রতিষ্ঠা করেন শুকতারাবিদ্যানিকেতন।

১৯৮৩ সালে শুকতারা সংঘের সভাপতির দায়িত্বওপালন করেন ১৯৯৮ সালে রামপুর উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটিরসভাপতি, ২০১০ সালে দরিরামপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাঁ মাঠের সভাপতি, জৈমত আলী স্মৃতি পাঠাগারের সভাপতি,২০১০সাল থেকে অদ্যাবদিপরপর তিন বার বিআরডিপির চেয়ারম্যান,১৯৯৭ সালে নজরুলএকাডেমি স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য,২০০৪ সাল থেকে পরপর দুইবার দরিরামপুর মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়েসভাপতি,২০০৪সাল থেকে একাদিক বার নজরুল ডিগ্রি কলেজপরিচালনা কমিটির সদস্য,বঙ্গবন্ধু সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট ত্রিশালশাখার সভাপতি অদ্যাবদি,১৯৯৪ সালে রামপুর উচ্চ বিদ্যালয়েপ্রতিষ্ঠাতা সদস্য,জাতীয় পর্যায়ে কবি নজরুল ইসলামের জন্ম জয়ন্তীউদযাপনে সাংস্কৃতিক উপকমিটির যুগ্ন আহ্বায়ক(বর্তমান),ত্রিশাল সাবরেজিস্টি জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্য,আলোর দিশারিশিক্ষালয়ের প্রধান উপদেষ্টা।ময়মনসিংহ থেকে প্রকাশিত টাইমস সংবাদমাধ্যমে দীর্ঘ সময় নিজে নিয়োজিত রাখেন

মন্তব্য লিখুন

আরও খবর