ডক্টর মিজানুর রহমান আজহারীর জিবনী ও জন্ম কোথায় জেনে নিন

প্রকাশিত: ৪:০২ অপরাহ্ণ , ৬ জানুয়ারি ২০২০, সোমবার , পোষ্ট করা হয়েছে 4 years আগে
ফাইল ছবি

নিউজ ডেস্কঃ-মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী জন্মগ্রহণ করেন কুমিল্লায়।তিনি ২০০৪ সালে দাখিল পরিক্ষায় জিপিএ ৫.০০ পেয়ে উত্তীর্ণ হন। ২০০৬ সালে আলিম পরিক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ ৫.০০ পেয়ে বাংলাদেশের মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের টপ লিষ্টে জায়গা করে নেন।

২০০৭ সালে ইসলামি ফাউন্ডেশন কর্তিক আয়োজিত মিশর সরকারি বৃত্তি পরিক্ষায় হাজার হাজার ছাত্রদের মধ্যে মিজানুর রহমান আজহারী প্রথম স্থান অধিকার করেন এবং তখন তিনি মিশরের আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্ডারগ্রাজ্যুয়েট করার জন্য মিশরের গমন করেন। সেখান থেকে তিনি ডিপার্টমেন্ট অফ তাফসির ও কোরআনিক সাইন্স হতে ২০১২ সালে ৮০% সিজিপিএ নিয়ে অনার্সে উত্তীর্ণ হয়।মিশরে পাঁচ বছর শিক্ষা জীবন অতিবাহিত করার পর তিনি গার্ডেন অফ নলেজ খ্যাত মালয়েশিয়ার ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটিতে পোস্ট গ্রাজুয়েশন, এমফিল এবং পিএইচডি করার সিদ্ধান্ত নেন।

২০১৩ সালে তিনি মালয়েশিয়াতে শিক্ষার উদ্দেশ্যে গমন করেন। উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিপার্টমেন্ট অফ কোরআন স্টাডি থেকে তিনি ২০১৬ সালের মধ্যে পোস্ট গ্রাজুয়েশন এবং এমফিল শেষ করেন। মাস্টার্সে মিজানুর রহমান আজহারীর ৪ এর মধ্যে সিজিপিএ ছিল ৩.৮২, তার পরে তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি ক্যান্ডিডেট হিসেবে মনোনিত হয়। মিজানুর রহমান আজহারী বর্তমানে পিএইচডি নিয়ে গবেষণা করছেন।

উল্লেখ্য যে, মিজানুর রহমান আজহারীর এমফিল এবং পিএইচডি গবেষণার মাধ্যম ছিল ইংরেজী। এত কিছুর মধ্যে একটা বিষয় ক্লিয়ার যে, তিনি অত্যন্ত পরিশ্রমিক এবং মেধাবী ছাত্র ছিলেন, যার কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গিয়ে এত ভাল রেজাল্ট করেছেন।বাংলাদেশের মত প্রশ্ন ফাঁস এবং জালিয়াতি বিশ্বের অন্য কোথাও হয় না, এসব কেবল বাংলাদেশে সম্ভব।

অন্যদিকে, মিজানুর রহমান আজহারী ILTS পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করে আউট অব নাইনের(৯) মধ্যে তিনি ৭/৫ ব্যান্ড স্কোর করেন এবং স্পিকিং সেকশনেও তিনি ৭.৫ ব্যান্ড স্কোর অর্জন করতে সক্ষম হন। এমন উচ্চ শিক্ষিত হয়ে তিনি বাংলাদেশে ইসলাম প্রচারের কাজ শুরু করেছেন।দিনে দিনে ইসলামকে তরুণ প্রজন্মের কাছে সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করছেন এই মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী।

আর তাকে নিয়েই তামাশা করছেন কিছু মূর্খ্য,লেবাসধারী কাঠমোল্লা, দেশের কিছু হুজুরের রূপধারী ভন্ড,মাজার পূজারী এবং দালাল চক্রের লোকেরা । তারা প্রিয় মিজানুর রহমান আজহারীকে নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন।তবে তাতে খুব বেশি একটা লাভ হচ্ছে না তাদের। এই দেশের শিক্ষিত তরুণ প্রজন্ম যুব সমাজ ঠিকই মিজানুর রহমান আজহারীর মূল্যয়ন করছেন।

অন্য দিকে আজহারী হুজুর ব্যক্তিগত ভাবেও খুব ভালো মনের একজন মানুষ। তিনি নিজের আয়ের বেশির ভাগ টাকা ইসলাম প্রচারে খরচ করে যাচ্ছেন।প্রতিনিয়ত সুন্দর বর্ণনা দিয়ে তিনি চেষ্টা করছেন, দেশের যুব-সমাজকে ধ্বংশের হাত থেকে রক্ষা করে ইসলামের আলোর পথে ফিরিয়ে আনতে। তিনি সব সময়’ই বলিষ্ঠ কণ্ঠে বিরোধীতা করেছেন সকল অন্যায় এবং অবিচারের বিরুদ্ধে। এমন একজন আলেমের পিছনেই লেগেছে শত শত কাঠমোল্লারা এবং ইসলাম বিরোধী লোকেরা। মিজানুর রহমান আজহারীর ইসলাম প্রচার করতে গিয়ে এমন বাঁধার সম্মূক্ষিণ হওয়া নতুন কিছু না। মহানবী (সঃ) থেকে শুরু করে পৃথিবীতে যত মানুষ ইসলাম প্রচার করেছেন প্রত্যেকেই অনেক সমস্যার এবং বাঁধার সম্মূখিন হয়েছেন।

পাঠকদের বলছি, আপনি যদি নিয়মিত কিংবা অনিয়মিতও ওয়াজ শুনে থাকেন তাহলে প্রত্যেকটা হুজুরের পাশাপাশি নিশ্চয়ই মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী হুজুরের ওয়াজ শুনেছেন।কখনও কী ওনার কোনও বয়ান ভন্ডামী কিংবা মিথ্যা মনে হয়েছিল? কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না। লিখাটি বন্ধুদের মধ্যে এবং বিভিন্ন ইসলামিক গ্রুপে শেয়ার করতে ভুলবেন না। এবং লেখাটি কেমন লেগে থাকে অবশ্যই আপনাদের মূলবান মতামত দিবেন।

মন্তব্য লিখুন

আরও খবর