আখাউড়ায় স্থলবন্দরে করোনা চেক-আপে গাফিলতি চেক আপ ছাড়াই আসছে পর্যটকেরা

প্রকাশিত: ৮:৪৪ অপরাহ্ণ , ৯ মার্চ ২০২০, সোমবার , পোষ্ট করা হয়েছে 4 years আগে

আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) সংবাদদাতা:
বাংলাদেশে করোনা রোগী সনাক্ত হওয়ার এক দিনের মাথায় আখাউড়া চেকপোষ্টে করোনা ভাইরাস চেক-আপে কর্তৃপক্ষের উদাসিনতা লক্ষ্য করা গেছে। গতকাল সোমবার বিকাল সাড়ে ৫টায় আখাউড়া চেকপোষ্টে গিয়ে মেডিকেল টিমের কোন স্বাস্থ্য কর্মী দেখা যায়নি। কিন্তু সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত ভারত-বাংলাদেশ উভয় দেশ থেকে যাত্রী পারাপার করেছে। এসময় চেক আপ ছাড়াই আগরতলা থেকে অন্তত অর্ধশত পর্যটক বাংলাদেশে প্রবেশ করে। তবে আখাউড়া চেকপোষ্টে করোনা চেক আপের জন্য স্বাস্থ্য কর্মী না থাকলেও আগরতলায় স্বাস্থ্যকর্মীদেরকে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত পর্যটকদেরকে চেকআপ করতে দেখা গেছে। করোনা চেক আপ নিয়ে এরকম গাফিলতির মাঝে আখাউড়ার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন উল্টো নিজেদের পক্ষে সাফাই গেয়ে তাচ্ছিল্য মন্তব্য করেন। তারা বলেন লোকবল সংকট আর সন্ধ্যা পর্যন্ত থেকে চেক আপ করা সম্ভব না।

চেক আপ ছাড়া ভারত থেকে বাংলাদেশে আসা মনুধির রায়, প্রীতি রায়, অঙ্কিতা রায়, রুহিত রায়, আবুল ইসলাম, সাফিয়া বেগম, রাজেশ সাহাসহ আরও অন্তত ২০ জনের সাথে কথা হয়। তারা বলেন বাংলাদেশে যেহেতু করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে কর্তৃপক্ষের উচিত এ ব্যপারে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনা করা।
এ ব্যপারে জানতে চাইলে আখাউড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান ডাঃ রাশেদুর রহমান বলেন, হয়তো স্বাস্থ্য কর্মীরা কিছুটা আগে চলে এসেছে। তবে আমাদের লোকবলের অভাব রয়েছে। এই জন্য ঠিকমত দায়িত্বপালনা করা যাচ্ছে না। আগামী মাসের ১৫ তারিখ পর্যন্ত এ অবস্থা থাকবে বলে তিনি জানান।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডাঃ মো. শাহ আলম বলেন, সকাল ৮টা থেকে বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত আমাদের দুটি মেডিকেল টিম চেকপোষ্টে করোনা সনাক্তে চেকপোষ্টে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর আমাদের থাকা সম্ভব না।

আখাউড়া ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা যায়, সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় পর্যন্ত পর্যটকরা যাতায়াত করে থাকে।